নোয়াখালী জেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া অবহেলায় জর্জরিত একটি উপজেলা। কিন্তু এই দ্বীপটি তার অপরূপ সৌন্দর্যের জন্য দেশব্যাপী পরিচিত। যত্রতত্র হরিণের বিচরণ হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপে। শুধু হরিণ নয়, বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আবাসস্থল এই দ্বীপ। আর এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন দেশ বিদেশ থেকে বহু পর্যটক। যেখানে দেশের পর্যটনশিল্পে নিঝুম দ্বীপ তথা হাতিয়া গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে, সেই এলাকাটাই অবহেলিত। যোগাযোগব্যবস্থা তথা রাস্তাগুলোর অবস্থা ভালো নয় মোটে। মূল সড়ক ছাড়া বাকি রাস্তাগুলোর বেহাল দশা। রাস্তাগুলোতে হাঁটলে মনে হয় কোনো গর্ত থেকে উঠছি আর নামছি। বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হওয়ায় এখানে মিডিয়ার নজর পড়ে না তেমন। ১০-১৫ বছর আগের হাতিয়া যেমনটি ছিল, এখনো তেমনটিই আছে। হাতিয়ার দক্ষিণাঞ্চল দেশের জন্য ভবিষ্যত্ সম্ভাবনা। এই দিকে বহু চর জেগে উঠছে। কিন্তু উত্তরাঞ্চলে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নেওয়া হচ্ছে না প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। হাতিয়ার উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে নদী ভাঙন। নদীভাঙন রোধে সুচিন্তিত পদক্ষেপ নেওয়া হলে হাতিয়া হয়ে উঠবে বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। পরিশেষে, হাতিয়ার সার্বিক উন্নতি সাধনের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বনতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. ছারোয়ার হোসেন
মনোবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
