শরীয়তপুরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (১৭ জুন) সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে ইত্তেফাক অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন পালং মডেল থানার ওসি মো. আক্তার হোসেন।
এ ঘটনায় চিতলিয়া ইউনিয়ন নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশিদ হাওলাদারের ছেলে সোহান হাওলাদার বলেন, ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান সদস্য আব্দুস সালাম হাওলাদার এবং তার ভাই শাখাওয়াত হোসেন হাওলাদারের নেতৃত্বে মানিক হাওলাদার ও তাদের বাহিনী শুক্রবার স্থানীয় গাজার বাজারে চিতলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর করে। এমনকি অফিসে থাকা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করেছে। এছাড়াও শনিবার আমাদের সমর্থক মান্নান হাওলাদারের বাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় মকবুল হাওলাদার ও মান্নান হাওলাদার দুটি পৃথক মামলা করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ ব্যাপারে চিতলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বিজয়ী চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাওলাদার বলেন, মাস্টার হারুন অর রশিদ সকল মেম্বারস বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হওয়ায় তাদের ওই নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে নির্বাচন দেয় নির্বাচন কমিশন। এতে আমরা দুই জনেই প্রার্থী হই। নির্বাচনে আমি এবার পঞ্চমবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে হারুন হাওলাদার। এখন নিজেরাই বিএনপি জামাত নিয়ে পার্টি ভাঙচুর করে এবং নিজেদের বাড়িঘরে বোমা মেরে ভাঙচুর করে।
এ ব্যাপারে পালং থানার ওসি মো. আক্তার হোসেন জানান, এ ঘটনায় এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
