কৃষি শুমারির তথ্য সংগ্রহ আজ থেকে

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৯, ২২:২১

ইত্তেফাক রিপোর্ট

সারাদেশে কৃষি শুমারির মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে আজ রবিবার থেকে। এর মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরন, চাষ পদ্ধতি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা, মত্স্য উত্পাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি সংগ্রহ করা হবে। সেইসঙ্গে কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানায়, এটা দেশব্যাপী বৃহত্ আকারে পরিচালিত একটি পরিসংখ্যানিক কার্যক্রম। এ তথ্য-উপাত্ত কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে বেঞ্চমার্ক তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য, এদেশে ১৯৬০ সালে প্রথম বারের মতো নমুনা আকারে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। ষষ্ঠ বারের মতো দেশে কৃষি (শস্য, মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি এবছর করা হচ্ছে। বিবিএস এর কর্মকর্তারা জানান, প্রতি দশ বছর অন্তর কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। আজ ৯ জুন হতে ২০ জুন পর্যন্ত সময়ে মাঠপর্যায়ে শুমারির তথ্য সংগ্রহ করা হবে। বর্তমানে দেশের মোট দেশজ উত্পাদনে (জিডিপি) কৃষির সমন্বিত অবদান শতকরা ১৩.৩১ ভাগ এবং মোট শ্রমশক্তির ৪০ ভাগের বেশি কৃষিতে নিয়োজিত।

ইতোমধ্যে পরিসংখ্যান ব্যুরো ছয়টি প্রধান ফসল যেমন- আউশ, আমন, বোরো, গম, আলু ও পাট ফসলের হিসাব এবং ১২০টি অপ্রধান ফসলের হিসাব প্রস্তুত করছে। শুমারির মাধ্যমে বর্তমান ১২৬ ফসলের হিসাবের পাশাপাশি নব-উদ্ভাবিত ফল ও ফসলের হিসাব পাওয়া যাবে। এ শুমারিতে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অতীতের কৃষি শুমারিতে শুধু অস্থায়ী ফসলের তথ্য নেওয়া হতো। এবারের শুমারিতে অস্থায়ী ফসলের পাশাপাশি স্থায়ী ফসলের তথ্যাদি যেমন বনজ এবং ফলদ বৃক্ষ ও এর উত্পাদন সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংগ্রহ করা হবে। শুমারি কাজের সুবিধার্থে ৬৪টি জেলাকে ৯০টি ভাগে ভাগ করে সারাদেশে ১ লাখ ৪৪ হাজার ২১১ তথ্য সংগ্রহকারী তথ্য সংগ্রহ করবেন।