গতকাল শনিবার দেশের ছয় জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন। চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় দুর্ঘটনায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ও অপরজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত আরোহীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহত আরোহীর নাম সুমিত মজুমদার (২৫)। তিনি ঢাকা মহানগরের মালিবাগ এলাকার সোবহান মজুমদারের ছেলে। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কয়েক বন্ধু মিলে তিনটি মোটরসাইকেলযোগে তাঁরা কক্সবাজারে বেড়াতে যান। গতকাল তাঁরা ঢাকায় ফিরছিলেন।
অন্যদিকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে অটোরিকশার ধাক্কায় এক শিশু নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে দুই যাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নেওয়াশী ইউনিয়নের গোবর্ধনকুটি গ্রামে। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, নেওয়াশী ইউনিয়নের গোবর্ধনকুটি গ্রামের মাইদুল ইসলামের সাড়ে চার বছরের শিশু লাফছু বাড়ির পাশে নাগেশ্বরী-নেওয়াশী সড়কে খেলার সময় এ দুর্ঘটনার শিকার হয়।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় একটি মিনিবাস এক মহিলাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে। গতকাল ভোর ৬টায় বাড়বকুণ্ড বাজার এলাকায় অজ্ঞাতনামা ওই মহিলা (৫০) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পার হওয়ার সময় চট্টগ্রামমুখী বাসটি তাঁকে চাপা দেয়।
এদিকে, ঢাকা-গাজীপুর-মদনপুর বাইপাস সড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের কাঁচপুর ললাটি এলাকায় ট্রাকের চাপায় মাসুম (৩২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে বাইপাস সড়ক প্রায় আধা ঘণ্টার সড়ক অবরোধ এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। নিহত মাসুম ললাটির নুর মোহাম্মদের ছেলে।
এছাড়া গোপালগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় একটি ভ্যানগাড়ির চালক আব্দুর রউফ গাজী (৪৫) নিহত হয়েছেন। এ সময় ওই ভ্যানগাড়ির যাত্রী শিশির বসাক (৪৮) গুরুতর আহত হন। গতকাল সকালে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
অন্যদিকে, দিনাজপুর সদর উপজেলায় দ্রুতগামী বাসের ধাক্কায় কায়সার হোসেন (৪০) নামে এক বাইসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। গতকাল বিকালে দিনাজপুর সদর উপজেলার বটতলী মোড়ে কেন্দ্রীয় ট্রাক টার্মিনালের সামনের মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত কায়সার হোসেন সদর উপজেলার পশ্চিম শিবরামপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা।
