কক্সবাজার সদরের লিংকরোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার রাতে মাইক্রোবাসসহ ১৮ রোহিঙ্গা তরুণকে আটক করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
আটক রোহিঙ্গারা হলো- নূর আহমদ, জয়নাল উদ্দিন, মু. রফিক, পুতিক্কা, রফিক, আনোয়ার শাহ, এনায়েত উল্লাহ, রিদুয়ান, মো. শফি, মু. আয়াছ, রহিম উল্লাহ, আশেক উল্লাহ, মো. একরাম, আরাফাত, রশিদুল্লাহ, ইউনুস, রফিক ও লিয়াকত। তাদের বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বলেন, তারা কোথায় যাচ্ছিল, কিভাবে তারা গাড়ির ব্যবস্থা করল, ক্যাম্প এলাকা ও কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের একাধিক চেকপোস্ট কীভাবে পার হয়ে আসল— সেসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওসি আরো বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশের একটি টিম রাতে লিংকরোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাইক্রোবাসটি (ঢাকা মেট্রো-জ-৪৬৭৪) জব্দ করে। গাড়িতে ১৮ রোহিঙ্গা তরুণকে পাওয়া যায়। এরপরই গাড়িটি জব্দ করে থানায় নিয়ে এসে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
রোহিঙ্গা ক্যাম্প সূত্র জানায়, এই তরুণরা সশস্ত্র অবস্থায় ক্যাম্পে খুন, ছিনতাই, রাহাজানি, রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ ও অপহরণপূর্বক মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা ঘটিয়ে আসছে। তারা নিজেদের আরসা বা আল ইয়াকিনের সদস্য বলে পরিচয় দেয়। তারা মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে গোপনে হাত মিলিয়ে উখিয়া-টেকনাফের শিবিরে ঘাপটি মেরে প্রত্যাবাসন-বিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। আতাউল্লাহ নামে একজন তাদের প্রধান নেতা।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন জানান, রোহিঙ্গাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ক্যাম্প থেকে নেওয়া খবরে জানা গেছে, এরা আতাউল্লাহ নামের একটি রোহিঙ্গা গ্রুপের সদস্য। আতাউল্লাহ রোহিঙ্গা এসব তরুণের মনোবল চাঙ্গা রাখতে ঈদ উপলক্ষে প্রত্যেককে বকশিশ দিয়েছে। আর এ টাকায় তরুণরা ঘুরছে।
