মাধবপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

আপডেট : ২২ জুন ২০২২, ১০:১৭

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে মাধবপুরে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি ঘটেছে । নিম্নাঞ্চলের গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বন্যার পানির কারণে এ পর্যন্ত ১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ৪টি আশ্রয়ন কেন্দ্রে লোকজন উঠতে শুরু করেছে। 

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৭টি আশ্রায়ন কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বুুধবার (২২ জুন) থেকে বন্যার্তদের মধ্যে শুকনা খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যালেট ও খাবার স্যালাইন দেওয়া হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, বন্যার পানি উঠে যাওয়ার কারণে এ পর্যন্ত ১৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে । বিদ্যালয়গুলো হলো- বরগ, উত্তর বরগ, শিমুলঘর, রামেশ্বর. গুমুটিয়া, মীরনগর, দাসপাড়া. ধনকুড়া, নারায়নপুর, পশ্চিম বাঘাসুরা, পিয়াইম, পিয়াইম নাসির উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মনিপুর, বারচান্দুরা, রতনপুর উত্তর, পশ্চিম খড়কি এবং দক্ষিণ খড়কি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইতিমধ্যেই পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে।

এছাড়া হাজী মিয়া চান, মাঝিসাইল, পাটুলী, মাল্লা, পিয়াইম, কুটানিয়া এবং পাশ্চিম বাঘাসুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বন্যা আশ্রয়ন কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন হাসান জানান, ১৮শ হেক্টর বোনা আমন, ১৭শ ৯৬ হেক্টর আউশ ধান এবং ১শ ৬০ হেক্টর শাক সবজির জমি সম্পূর্ণ তলিয়ে গেছে। 

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন জানান, পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলার ২৭টি আশ্রায়ন কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ৪টিতে লোকজন উঠা শুরু করেছে। প্রত্যেকটি কেন্দ্রের জন্য ট্যাাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। আগামী কাল থেকে শুকনা খাবার,পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও খাবার স্যালাইন দেওয়া হবে দেওয়া হবে। চাউলের বরাদ্ধ আছে। সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা ও মনিটরিং কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/কেকে