রাজারহাটে তিস্তার ভাঙনে অর্ধশত বাড়ি বিলীন

আপডেট : ২৩ জুন ২০২২, ১৮:১৩

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তার ভাঙনে অর্ধশত বাড়ি-ঘর ও ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। ইতোমধ্যেই ভাঙনে শেষ আশ্রয়টুকু হারিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে মানবেতর জীবনযাপন করছে। 

ঘড়িয়াল ডাংগা ইউনিয়নের গতিয়াশামের মন্ডলপাড়া গ্রামের নুর ইসলাম (৬৫), জহরা বেওয়া (৫০), দুলাল (৩৫), মোজাহার আলী (৬৫), আ. গফুর (৬৫), আমিনুল ইসলাম (৩৫), জহুরুল ইসলাম (৪০), বদরুল (৩৫) রাবেয়া বেওয়া (৫০) আ. আউয়াল (৩০) ও নায়েব আলীসহ (৩৫) প্রায় অর্ধশত মানুষ ভাঙনে ঘর-বাড়ি হারিয়েছেন। 

এছাড়া বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ডাংরার হাট, মন্দির চতুড়া, গাবুর, তৈয়ব খাঁ গ্রামে কয়েকটি ক্রসবাঁধ নির্মাণ করা হলেও নদী ভাঙন থেকে অসহায় মানুষকে রক্ষায় ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের বাসিন্দারা। 

চতুড়া গ্রামের সহিদুল ইসলাম, জাহেরুল ইসলাম ও তছলিম মিয়া জানান, তিস্তা নদীর ভাঙনরোধ করতে হলে নদী খনন করতে হবে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরে তাসনিম বলেন, ‘ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ৫০০ জনকে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করার কথা বলেছি।’ 

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, ‘নদী ভরাট হওয়ায় এবং নব্যতা ঠিক না থাকায় দুই তীরের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী তীরবর্তী এলাকা পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।’

ইত্তেফাক/এএএম