শুক্রবার, ১৯ আগস্ট ২০২২, ৪ ভাদ্র ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

‘পদ্মা সেতু কুচক্রীদের জন্য উচিত জবাব’

আপডেট : ২৬ জুন ২০২২, ১২:৫৫
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের সক্ষমতার পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। বিশ্ববাসী জেনেছে বাংলাদেশ পারে। নিজেদের অর্থায়নে তৈরি হয়েছে আজকের পদ্মা সেতু যে সেতু ঘিরে আজ শুধু সম্ভাবনা। যে সেতুর কারনে অর্থনীতি আরো বেগবান হবে। দক্ষিন অঞ্চলের মানুষ নতুন করে শক্তি পাবে। কারণ বাংলাদেশের নেতৃত্বে আছেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা বিশ্বের নিকট একটি রোল মডেল নামে পরিচিত হলো আবারও। 
 
শনিবার (২৫ জুন) ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে " বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পদ্মা সেতুঃ শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও অদম্য সাহসের উজ্জ্বল প্রতীক" শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। 
 
সেমিনারটি আয়োজন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীল দল। পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তারা। 
 
অনুষ্ঠানে মুল প্রবন্ধ পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম। প্রবন্ধ পাঠে তিনি বলেন, বিশ্ববাসী নতুন করে আজ জানলো বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের অর্থনীতি কত শক্তিশালী তার প্রমান এই পদ্মাসেতু।
 
তিনি আরো বলেন, বিশ্বব্যাংক আমাদের সাথে বেইমানি করার পরেও আমাদের নিজস্ব টাকায় আমরা সেতু করতে পেরেছি। দক্ষিন অঞ্চলের অর্থনীতি আরো বেশি এগিয়ে যাবে। অর্থনীতি আরো বেশি স্বাবলম্বী হবে।
 
 
অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড এ.কে.এম লুৎফর রহমান বলেন, পদ্মা সেতু মানে শুধু একটি সেতু না।  বিরোধী ও কুচক্রীদের উচিত জবাবের অস্ত্র। সকল কুচক্র রুখে দিয়ে শেখ হাসিনা প্রমান করেছেন যে আমরা পারি। এই পদ্মা সেতুতে অবদান রেখেছেন দেশের সকল স্তরের মানুষ। শেখ হাসিনার প্রতি তাদের এই আস্থা আরো শক্তিশালী হয়েছে। 
 
এসময় অধ্যাপক ড.কাজী সাইফুদ্দীন বলেন, শেখ হাসিনা শুধু পদ্মা সেতুই করেননি। তিনি দক্ষিন অঞ্চলে অনেক গুলো বড় বড় ব্রিজ করেছেন।  শেখ হাসিনা স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন এবং তা পূরণ করেছেন। তিনি আমাদের স্বপ্নবাজ হতে শিখিয়েছেন। 
 
দর্শন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড লুৎফর রহমান বলেন, সৃষ্টির পিছনে কিছু বেদনা থাকে। তারপর থাকে আনন্দ। থাকে নতুন সম্ভাবনা। পদ্মাসেতু তারই নমুনা। আজকের যে পদ্মাসেতু তা একদিনে হয় নি। এর পিছে আছে বিশাল ইতিহাস। আছে নতুন সম্ভাবনা। দেশ আরো বেশি এগিয়ে যাবে এই সেতুর মাধ্যমে। কেবল শেখ হাসিনার জন্যই এটি সম্ভব হয়েছে। 
 
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড.মো. আবুল হোসেন।  এসময় অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ সেলিমসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
ইত্তেফাক/ইআ