সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

রাশিয়া সবচেয়ে বড় বিপদ: ন্যাটো

আপডেট : ৩০ জুন ২০২২, ১৩:২৬

রাশিয়ার বিরুদ্ধে একগুচ্ছ প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে ন্যাটো সম্মেলনে। একইসঙ্গে চীনকে বিপদের তালিকায় রাখা হয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ এতবড় নিরাপত্তার সংকটে পড়েনি, বুধবার (২৯ জুন) এই ভাষাতেই রাশিয়াকে আক্রমণ করেছেন ন্যাটোর প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ। একইসঙ্গে তিনি ইউক্রেনকে আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, যতদিন যুদ্ধ চলবে, ততদিন কিয়েভকে সাহায্য করবে ন্যাটো।

মাদ্রিদে শুরু হয়েছে ন্যাটোর বার্ষিক সম্মেলন। সেখানেই এই ঘোষণা করেছেন ন্যাটো প্রধান। তিনি জানিয়েছেন, রাশিয়া ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু করার পর ন্যাটো তাদের পরিকল্পনায় বড় বদল এনেছে। নতুন করে ন্যাটোর বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়েছে। বস্তুত, একসময় সাবেক মার্কিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটোকে অকার্যকর সংস্থা বলে সমালোচনা করেছিলেন। ন্যাটো ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ারও হুমকি দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ বলেছিলেন, ন্যাটোর ব্রেন ডেথ হয়েছে।

স্টলটেনবার্গ এদিন জানিয়েছেন, রাশিয়ার যুদ্ধ ন্যাটোকে নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে। এবারের সম্মেলনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিন ন্যাটোর 'স্ট্র্যাটেজিক কনসেপ্ট' ঘোষণা করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, সেনার সংখ্যা ৪০ হাজার থেকে তিন লাখ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন স্ট্র্যাটেজিক জায়গায় এই সেনারা আপাতত হাই অ্যালার্টে থাকবে। একইসঙ্গে বাল্টিক সাগর অঞ্চলে এবং পোল্যান্ডে ভারি অস্ত্র সরবারহ করা হবে। যে কোনো সময় যাতে তা ব্যবহার করা যায়, তা দেখা হবে।

ন্যাটো জানিয়েছে, যতদিন ইউক্রেনের যুদ্ধ চলবে, ততদিন ন্যাটো তাকে সাহায্য করবে। সামরিক সাহায্যের পাশাপাশি চিকিৎসা সংক্রান্ত এবং মানবিক সাহায্যও করা হবে। ইউক্রেনের সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যাপারেও কিয়েভকে আশ্বাস দিয়েছে ন্যাটো।

ইত্তেফাক/টিআর

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলে রুশ হামলা, নিহত ১  

পরস্পরকে দুষছে ইউক্রেন-রাশিয়া  

যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার ফের হুঁশিয়ারি 

সম্পদ বাজেয়াপ্ত হলে ওয়াশিংটন মস্কো সম্পর্কের ইতি ঘটবে

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

ইউক্রেনের পিস্কি গ্রাম দখলের দাবি রাশিয়ার 

'দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া' 

'যুদ্ধের সমাপ্তি মানে ক্রিমিয়া ইউক্রেনের দখলে আসা' 

ইউরোপজুড়ে পারমাণবিক বিপর্যয়ের শঙ্কা