রোববার, ০৭ আগস্ট ২০২২, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

বন্যা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন সমন্বিত কর্মসূচি

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২২, ১২:০৩

প্রতি বছরই বাংলাদেশে গ্রীষ্মের শেষার্ধ থেকে শরতের প্রথমার্ধে এক বা একাধিকবার বন্যা দেখা দিয়ে থাকে। বিশ্বের অন্যতম প্রধান বৃষ্টিবহুল অঞ্চল উত্তর-পূর্ব ভারতে বর্ষাকালে যে বৃষ্টিপাত হয়, তা নদীপথে গড়িয়ে এসে সমতলের বাংলাদেশে বন্যা ঘটায়। বার্ষিক এই প্লাবন বঙ্গীয় বদ্বীপের ফসলি জমির উর্বরতা যেমন রক্ষা করে, তেমনই অভ্যন্তরীণ ভূমির উচ্চতা বাড়ায় ও উপকূলীয় ভূমির সম্প্রসারণ ঘটায়। কিন্তু এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় মনুষ্যসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা কীভাবে জীবন ও সম্পদবিনাশী হয়ে উঠতে পারে তা প্রায় প্রতি বছরই কমবেশি দেখা যায়।

বিভিন্ন নদী অববাহিকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের যে ১১২টি পানিস্তর পরিমাপক স্টেশন রয়েছে; পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের ওয়েবসাইটের বন্যা মানচিত্রে চার রঙের সূচক থাকে। যেমন: সূচকের রং ‘সবুজ’ মানে নদীপ্রবাহ স্বাভাবিক; বন্যার ঝুঁকি নেই, নদীর প্রবাহ যদি বাড়তে শুরু করে এবং বিপত্সীমার নিচেই থাকে, তাহলে সূচকের রং হবে ‘হলুদ’, বিপৎসীমায় পৌঁছলে বা বন্যা দেখা দিলে সূচকগুলো ‘কমলা’ রং ধারণ করবে এবং প্রবল বন্যা দেখা দিলে ‘লাল’ হয়ে যাবে। মাত্র সপ্তাহখানেক আগেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মেঘনা অববাহিকা এবং উত্তরাঞ্চলের ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় পানিস্তর পরিমাপক স্টেশনগুলোর সূচক ছিল লাল ও কমলা। মধ্যাঞ্চলের সূচকগুলো ছিল হলুদ।

বিষয়টি মনে রাখা দরকার যে, এখন বর্ষাকাল চলছে। একযোগে যখন গঙ্গা, যমুনা ও মেঘনা অববাহিকায় বর্ষণ বেড়ে যাবে, তখন বন্যা আসবে, কখনো কখনো সেই বন্যা প্রাকৃতিকভাবেই প্রলয়ংকরী হয়ে উঠবে। অনেকে বলেন, সেই বড় বন্যারও একটি প্রাকৃতিক চক্র রয়েছে— প্রতি পাঁচ বছরে একবার। সাম্প্রতিক অতীতে ১৯৮৮ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাত বছর আমরা একটি করে বড় বন্যা দেখেছি। লক্ষণীয়, প্রতি বছর দেশ জুড়ে বড় বন্যার আগে দফায় দফায় ‘ছোট’ বা আঞ্চলিক বন্যা হয়। সর্বশেষ বড় বন্যা ২০১৭ সালের পর ইতিমধ্যে পাঁচ বছর কেটে গেছে। আরেকটি বড় বন্যা আসন্ন কেবল এই কারণে নয়; অতীতের মতো এবার সিলেট ছাড়াও উত্তরবঙ্গে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে বন্যা দেখা দিয়েছে। সিলেটের মতো রংপুর অঞ্চলেও কৃষকের ধান খেয়ে গেছে। সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা করছেন অনেকেই। সিলেট নগরের অন্যান্য উপজেলার অন্তত ৫০০ গ্রাম এরই মধ্যে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি কার্যালয়ের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় অস্বাভাবিক অবস্থা দেখা গেছে। এই অবস্থায় সরকার চলমান বিভিন্ন বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করেছে। কেবল সিলেট অঞ্চল নয়; একই সঙ্গে তলিয়ে গেছে উত্তর-পূর্ব ভারতের আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা রাজ্যের বহু অঞ্চল। এ অঞ্চলে অবস্থিত পৃথিবীর সর্বাধিক বৃষ্টিবহুল মেঘালয় পাহাড়ের চেরাপুঞ্জির ভাটিতেই বাংলাদেশের সর্বাধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চল শ্রীমঙ্গল।

আবহাওয়া পরিসংখ্যান বলছে, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে একই সঙ্গে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে এই জুনে। আর একসময়ে এই অঞ্চলে গড়িয়ে পড়া বৃষ্টির পানিই তৈরি করেছে এই আচমকা নিদারুণ বন্যা পরিস্থিতি। ব্রিটিশ শাসক লিন্ডসে তার লেখায় তখনকার ভাটির সিলেট ও উত্তর-পূর্ব ভারতের যে বিবরণ দিয়েছেন, সেখানেও বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাওয়ার এমন মর্মান্তিক চিত্র বর্ণনা করেছিলেন। তাহলে এখন বৃষ্টি হলেই কেন হাওর তলিয়ে যায় বা এভাবে কেন সর্বব্যাপী প্লাবিত হলো সিলেট ও সুনামগঞ্জ? এখন এর কারণ অনুসন্ধান করে জানা যায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবী জুড়েই চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়া এখন। কোথাও অতিবৃষ্টি, আবার কোথাও খরা। ভারতের চেরাপুঞ্জিতে এবার ১২৫ বছরের রেকর্ড ভেঙে বৃষ্টি হয়েছে। উজানের নদীগুলোয় বাঁধ দিয়ে পানি আটকানো হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে পানি পাওয়া যায় না, অথচ বন্যা মৌসুমে বাঁধের গেট খুলে দেওয়ায় ঢল নামে।

বাংলাদেশের নদী, হাওর ও প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো দখল ও দূষণ করে আমরা প্রায় মেরে ফেলেছি। এরপর অপরিকল্পিত উন্নয়নের নামে প্রাকৃতিক জলাশয়ে প্রকৃতি বিরুদ্ধ ভাবে বাঁধ ও রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে, পলিথিন ও পলিতে জলাশয়ের পানি ধারণক্ষমতা কমে গেছে এবং বড় বন্যার পেছনে এমন বহু কারণ রয়েছে যেগুলো দীর্ঘ দিনে অবহেলার অযাচিত ফলাফল মাত্র।

ব্রিটিশ আমলে হাজারো জায়গায় কাটাকুটি করে গেছে পূর্ব-পশ্চিমগামী রেললাইন যার ফলে বন্যার পানি বয়ে যাওয়ার বন্যায় ভরে যাওয়া ভূমিতে উঁচু রেলবাঁধ পড়েছে, এভাবে নদীশাসনের নামে নদীর গতি নষ্ট করে সৌভাগ্যের জননীকে পরিণত করা হয় দুর্যোগের ডাকিনিতে। ব্রিটিশ নদীপ্রকৌশলী স্যার উইলিয়াম উইলকক্স ১৯২৮ সালে দেওয়া এক বক্তৃতায় অভিযোগ করেন, ‘ইংরেজ আমলের গোড়াতেই সনাতন খাল ব্যবস্থাগুলোকে কাজে লাগানো ও সংস্কার তো করাই হয়নি, বরং রেলপথের জন্য তৈরি বাঁধের মাধ্যমে এগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।’

ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ জি থমসনও হিন্দু ও মুসলিম যুগের নদীব্যবস্থাপনা ধ্বংসকেই বাংলার কৃষি ও জলদেহকে বিপর্যস্ত করার দায় দিয়েছেন। তাতে মাটি অনুর্বর হয়েছে, মাছের আধার ধ্বংস হয়েছে, ম্যালেরিয়া মহামারি আকার পেয়েছিল এবং নদী স্ফীতিজনিত চাপে নদীর পাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভারতীয় নদী বিশেষজ্ঞ প্রশান্ত মহলানবীশ সেই ১৯২৭ সালেই বলেছিলেন, বাঁধের ফলাফল হিসেবে তলানি জমে নদীতল ধীরে ধীরে ওপরে উঠে আসবে, যা উন্নয়নবাদীরা শোনেননি। সে সময়ের এক বড় বন্যা ছিল ১৯৪৩ সালের দামোদরের বন্যা।

এখন এই অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় কি তা খুঁজে দেখার সময় এসেছে। আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এসে বৃষ্টির কারণে আমাদের এক বিপজ্জনক পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে। জলবায়ুবিজ্ঞানীরা অনাবৃষ্টি, অকালবৃষ্টি, অতিবৃষ্টির মতো ঘটনাকে জলবায়ুসংকটের প্রভাব হিসেবে দেখছেন। কিন্তু অতিবৃষ্টির ফলে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে আটকে থেকে এলাকার পর এলাকা প্লাবিত হয়ে বন্যাপরিস্থিতি তৈরি হওয়া নিশ্চয় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল নয়। এ থেকে বেরিয়ে আসার এটাই উপযুক্ত সময়। দ্বিতীয়ত আকস্মিক বন্যার কারণে দুর্যোগ মোকাবিলায় কারো কোনো ধরনের প্রস্ত্ততি ছিল না অথচ বাংলাদেশকে বলা হয় দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণের রোল মডেল, যা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। কিন্তু মৌসুমের প্রধান বন্যার আগে আগাম বন্যাগুলোর ক্ষেত্রে স্বাভাবিক প্রাকৃতিক চক্র এবার কাজ করেনি। এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় মনুষ্যসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা কীভাবে জীবন ও সম্পদবিনাশী হয়ে উঠতে পারে, যা প্রায় প্রতি বছরই কমবেশি সে চিত্র দেখা যায়। এখন থেকে প্রস্ত্ততি নিলে পরিস্থিতি সামলানো সহজ হবে, বলা বাহুল্য।

বন্যাবাহিত দুর্যোগ মোকাবিলায় কিছু ভুল তথ্য প্রতি বছর সতর্কতা ও প্রস্ত্ততির কথা বলেন, নদীদখল, ভরাট বন্ধ করতে বলেন; বন্যার প্রাকৃতিক পথ মুক্ত রাখতে বলেন কিন্তু দেশের দায়িত্বশীল পদে থাকা আধুনিক গ্রামবাসী সতর্ক হন না। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এবারও একই চিত্র স্পষ্ট। এখনো সতর্ক না হলে বড় বন্যায় বৃহত্তর বিপর্যয় অনিবার্যভাবেই অপেক্ষা করে থাকবে; তৃতীয়ত আমেরিকার কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌসুমি বৃষ্টিপাত পূর্বাভাস ২০২২ সালের জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশের রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নির্দেশ করেছে। এ পূর্বাভাস সঠিক হলে সুরমা ও মেঘনা অববাহিকায় চলমান বন্যা ছাড়াও তিস্তা ও যমুনা নদীর অববাহিকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বড় বন্যার শঙ্কা আছে। আমেরিকার আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আবহাওয়া পূর্বাভাসে আগেই বিষয়টি এসেছে। একইভাবে এ কথা বলা পুরোটাই অন্যায় হবে যে, আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ ছিল না। আগে থেকে প্রচার করলে ক্ষতি কমিয়ে আনা যেত। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আবহাওয়া পূর্বাভাসের জন্য নিজেরা যে গাণিতিক আবহাওয়া মডেল ব্যবহার করে, সেটিও আমেরিকার তৈরি, যা হলো আঞ্চলিক মডেল।

আবহাওয়া পূর্বাভাসের গাণিতিক মডেলগুলো চালাতে খুবই উচ্চশক্তির কম্পিউটার দরকার এবং বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা যায়, বর্তমানে ডব্লিউআরএফ নামক গাণিতিক আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেলটি ব্যবহার করে, যা সাত থেকে দশ দিনের আবহাওয়া পূর্বাভাস অনেক নিভু‌র্লভাবে পাওয়া যায়। কিন্তু সেটি তারা মানুষের কাছে পৌঁছাতে গণমাধ্যমের সাহাঘ্য নেওয়া উচিত। চতুর্থত সাম্প্রতিক কালের বন্যাগুলোর ভয়াবহতা বৃদ্ধির বেশ কিছু মানবসৃষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়। যার মধ্যে অন্যতম হলো পাহাড়ের প্রাকৃতিক বন ধ্বংস করায় ভূমিক্ষয় বৃদ্ধি, বিদু্যত্ উত্পাদনের জন্য নদীতে বাঁধ দিয়ে নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করা। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর প্রথম সারিতে রয়েছে বাংলাদেশ, যার অবস্থান এখন সপ্তম। তবে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতির হিসাবে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম, যা ‘বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক ২০২১’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে, যা জার্মানিভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা জার্মানওয়াচ থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তাই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে তথ্যের আদান-প্রদান বাড়াতে হবে, আঞ্চলিক সমন্বয় বাড়াতে হবে।

আগামীর দিনে জলবায়ু পরিবর্তন-বিষয়ক আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্মেলনে সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যার কথা জোরালোভাবে তুলে ধরতে হবে। পঞ্চমত, দীর্ঘমেয়াদি বন্যা প্রতিরোধে আন্তঃনদী পানিপ্রবাহ সংযোগসহ যেসব আন্তর্জাতিক আইন রয়েছে তার সফল প্রয়োগ সময়ের দাবি। সর্বশেষে বলা যায় এখন আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতির যে অঞ্চলগুলো ফি বছর বন্যায় আক্রান্ত হচ্ছে তা নিয়ে সরকারের নির্ভীক ভাবনা জোরদার করতে হবে। এখন আমাদের খাদ্যনিরাপত্তার স্বার্থে ও বৃহৎ নদনদীগুলোর দ্বারা বন্যাকবলিত দুই তীরের জনপদের জীবন ও জীবিকার স্বার্থে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে আঞ্চলিক বৈষম্য কমবে, ভৌগোলিকভাবে মানুষ তার ভিটেবাড়ি কম হারাবে এবং দারিদ্র্য নিরসন কর্মসূচি আরো সফল হবে। সরকার প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে বন্যা খরার বিষয় এবং এর ফলে গ্রামীণ জীবনের যে পরিণতি সেগুলো অগ্রাধিকার কাজের মধ্যে রাখছে এবং এগুলোর বাস্তবায়নে সমন্বিত কর্মসূচির কোনো বিকল্প নেই ।

লেখক: অধ্যাপক (অর্থনীতি), ডিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ও সিন্ডিকেট সদস্য, সিটি ইউনিভার্সিটি, ঢাকা

ইত্তেফাক/এসজেড

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

চাই মূল্যবোধভিত্তিক নির্মল সমাজ

বরিস জনসন ও রাজনীতিতে তার পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

রেললাইন ব্যবহার ও রেলক্রসিং পারাপার

নারী ও শিশু নির্যাতনের বিধানসমূহ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

বিজ্ঞান প্রচারে রবীন্দ্রনাথ

চীন-মার্কিন মুখোমুখি অবস্থায়, শান্ত তাইওয়ান

দক্ষিণাঞ্চলে খাতভিত্তিক উন্নয়নের সম্ভাবনা

শোকাবহ আগস্ট ভোলার নয়