আর বোলিংই পেলেন না মোসাদ্দেক!

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২২, ০৮:৫৩

ডমিনিকায় সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দাপটের সামনে ম্লান ছিল বাংলাদেশ দল। তবে টাইগারদের হারের চেয়ে ম্যাচে অনেক আলোচনার, বিস্ময়ের খোরাক যুগিয়েছে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সিদ্ধান্ত। যার বলি হয়ে উইকেট-মেডেন ওভার করার পরও আর বোলিংই পেলেন না মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

সবার মুখে মুখে ফিরেছে এক প্রশ্ন, কেন ঐ ওভারের পর আর বোলিংই করানো হলো না মোসাদ্দেককে? অফস্পিন করে তার বোলিং ফিগারটা (১-১-০-১) চিত্তাকর্ষক রূপেই স্মৃতির পাতায় জমা হলো। অন্তত বোলারদের দুঃসহ দিনে এমন বোলিং সোনায় মোড়ানো বলতেই হবে।

গত রবিবার রাতে ২৬ রানে ২ উইকেট হারানো উইন্ডিজদের এগিয়ে নেয় ব্রেন্ডন কিং ও নিকোলাস পুরানের ৭৪ রানের জুটি। উইকেটের সন্ধানে থাকা বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি এনে দেন মোসাদ্দেক। ইনিংসের ১৩তম ওভারে বোলিংয়ে এসে ঐ জুটি ভাঙেন এ তরুণ। রিভার্স সুইপ করার চেষ্টা করা পুরান এলবির ফাঁদে পড়েন। শুধু ব্রেক থ্র‚ দেওয়াই নয়, ঐ ওভারে কোনো রানই খরচ করেননি মোসাদ্দেক। তৃতীয় বলে উইকেট পাওয়ার পর ওভারের বাকি বলগুলোতেও আটকে রেখেছিলেন রোভম্যান পাওয়েলকে।

পরের ওভারে সাকিব এসে ৮ রান দেন। চাপ ধরে রাখতে হয়, মোমেন্টামকে কাজে লাগাতে হয়। যা ভুলে গিয়েছিলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। মোসাদ্দেককে না এনে বল তুলে দিলেন মুস্তাফিজের হাতে, তিনি দিলেন ১১ রান। তারপর পাওয়েলের ব্যাটিং ঝড়ের পর্বটা মঞ্চায়িত হয়েছে।

শুধু উইকেটে দুই ডানহাতি ব্যাটসম্যান থাকায় নাকি মোসাদ্দেককে আর বোলিং দেননি মাহমুদউল্লাহ। ম্যাচ শেষে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘মোসাদ্দেককে আমি অবশ্যই বোলিং করাতাম। কিন্তু রোভম্যান পাওয়েল ছিল, ক্রিজের দুইজনই তখন ডানহাতি ব্যাটসম্যান (আরেকজন ব্রেন্ডন কিং)। আর ওপাশটা একটু ছোটও ছিল। এজন্য আমি ঝুঁকি নেইনি, তাসকিনকে বোলিংয়ে আনি (আসলে মুস্তাফিজ) আর ঐপাশ থেকে সাকিব বোলিং করছিল। এ কারণে দেখবেন যে সাকিবকে কিছুটা পরে বোলিংয়ে আনি যখন পুরান ব্যাটিং করছিল। পাওয়েল অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। সে আমাদের কাছ থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।’

এছাড়া পিঠের ইনজুরির কারণে ম্যাচটা খেলতে পারেননি মুনিম শাহরিয়ার। তাই একাদশে পরিবর্তন আনতেই হয়েছে বাংলাদেশকে। ৩২ ম্যাচে ১০ম ওপেনিং জুটি (বিজয়-লিটন) নামিয়েছিল টাইগাররা। মাহমুদউল্লাহ আরো জানিয়েছেন, বাঁহাতি স্পিনার নাসুমকেও কৌশলগত কারণে বাদ দেওয়া হয়েছিল একাদশ থেকে।

ইত্তেফাক/এমআর