গ্যাসের দাম যত দ্রুত সম্ভব বাড়ানো দরকার —জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ০৯ জুন ২০১৯, ২২:৩৫

ইত্তেফাক রিপোর্ট

বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন, ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে গ্যাসের সব পুরান লাইন বদলে নতুন লাইন নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ও চুরি ঠেকানো এবং সিস্টেম লস কমানো যাবে। একই সঙ্গে সারাদেশে সব গ্রাহকের সংযোগে প্রিপেইড মিটার দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, এলএনজি আমদানির পর সরকার ইতিমধ্যে ১৪ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে। এ অর্থবছরে আরো ৫-৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া লাগবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের দাম বাড়ানো প্রয়োজন। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) রায়ের অপেক্ষায় রয়েছি। রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। ঈদের ছুটিশেষে অফিস শুরুর প্রথম দিন এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

নসরুল হামিদ বলেন, এ বছর আরো আড়াই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত্ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। এবারের ঈদের ছুটিতে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৮৯৩ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন হয়েছে। গ্রাহকদের জন্য এখনো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ নিশ্চিত করা যায়নি। আগামী তিন বছরের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ দিতে পারব। তিনি বলেন, আমরা গত বছরের আগস্ট মাস থেকে এলএনজি আমদানি শুরু করেছি। বিইআরসি সরকারের চাহিদা মতো দাম সমন্বয় করলেও ভর্তুকি দিতে হবে। আর সমন্বয় না করলে সরকারকে চলতি অর্থবছরে ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকা দিতে হবে।

কয়লা টার্মিনাল করতে বেসরকারিভাবে জাপানের কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছে জানিয়ে বিপু বলেন, আমরা মাতারবাড়িতে একটি কোল টার্মিনাল করতে চাই। কয়লা এনে ওখানে রাখা হবে। সেখান থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাবে। এটা নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হয়েছে। মাতারবাড়িতে এক্সটেনশন প্রজেক্ট করার জন্য জাপান আরো ২ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।