জুলাই মাসব্যাপী এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে দেশের কয়েকটি জেলায়। গাছ লাগানো পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে "প্যারেন্টস" নামে একটি কোম্পানিকে। প্যারেন্টস এর স্বত্বাধিকারী যুবলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইমতিয়াজ জামান পারভেজ একজন বৃক্ষ প্রেমিক । তার তত্ত্বাবধানে কিছুসংখ্যক মালি যথাযথভাবে সে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, এদেশ আমাদের, মাটি আমাদের, প্রধানমন্ত্রী আমাদের। আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগণের জন্য দিন নেই রাত নেই পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এটিকে আমি আমার দায়িত্ব হিসেবে মনে করেছি। প্রধানমন্ত্রী বাড়ির আঙ্গিনা,খালি জায়গা ফেলে না রাখার আহ্বান জানান। তিনি সবাইকে গাছ লাগিয়ে সবুজায়নে অবদান রাখতে বলেন।। যাদের সুযোগ রয়েছে তাদের সবারই এ কাজে এগিয়ে আসা উচিত বলে আমি মনে করি।
দেশের স্বনামধন্য অর্নিথলজিস্ট (ornithologist) ওয়াইর্ল্ড লাইভ বিশেষজ্ঞ ড.আবদুল ওয়াদুদ বলেন, শুধু যা তা গাছ লাগালেই হবে না, পশু-পাখির আবাসন ও খাদ্যের দিকে খেয়াল রেখে আমাদের গাছ লাগাতে হবে। আমাদের বেশি বেশি ফলজ গাছ রোপণ করা দরকার। নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পাখিদেরও চাহিদা পূরণ হবে। তিনি ফলজ গাছের সব ফল না পারার জন্য আহ্বান জানান। পাখিদের জন্য গাছে এক-তৃতীয়াংশ ফল রেখে দেওয়ার জন্য তিনি বলেন।
তিনি বলেন, গাছ লাগালে কাজ শেষ হয়ে গেছে ভাবার কোনো উপায় নেই। গাছের পরিচর্যা করতে না পারলে এদের বেঁচে থাকা দায়। একটি চারা গাছকে নুতন আবহাওয়া, পরিবেশে ও মাটিতে এডজাস্ট হতে কিছুটা ধাকল সামলাতে হয়। তাই গাছ লাগানোর প্রথম দুই তিন মাস বিশেষ পরিচর্যার প্রয়োজন।
ড. আব্দুল ওয়াদুদ আরো বলেন, যারা অপ্রয়োজনে গাছ কাটেন, বন উজাড় করেন তারা দেশ ও জাতির শত্রু। এ ব্যাপারে আমাদের সবার সচেতন ও প্রতিবাদী হতে হবে। সর্বোপরি গাছের উপর পাখির বাসা, কলকাকলি, আমাদের দেয় অনাবিল আনন্দ মানসিক প্রশান্তি ও চিত্তবিনোদন। বৈশ্বিক আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য গাছপালা উজাড় অনেকখানি দায়ী। নতুন প্রজন্মের জন্য সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলা হোক আমাদের অঙ্গীকার।
