ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। বাস টার্মিনালগুলোতে নেমেছে মানুষের ঢল। শুক্রবার (৮ জুলাই) রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ ও যাত্রীবাড়ী এলাকায় বাড়িফেরা মানুষের ঢল লক্ষ্য করা গেছে।
দেখা গেছে, বাড়িফেরা মানুষেরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গাড়ি পাচ্ছে না। গাবতলী থেকে পাটুরিয়া ঘাটে যাওয়া সেলফি পরিবহন দেখা যায়নি। গাবতলীর যাত্রীরা গাড়ি সংকটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সায়েদাবাদ ও যাত্রীবাড়ী এলাকায় দেখা গেছে, ঘরমুখো মানুষের ভিড়। টিকিট কেটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না বাস।
শুক্রবার সকাল থেকেই ভিড় বাড়তে থাকে রাজধানীর বিভিন্ন টার্মিনালে। গাবতলী টার্মিনালে দেখা গেছে, বাস না পেয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন দূরপাল্লার হাজারও যাত্রী।যারা অগ্রিম টিকিট নিয়েছিলেন তাদেরকে আরও বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কারণ রাস্তায় যানজটের ফলে নির্ধারিত সময়ে বাসগুলো গাবতলী টার্মিনালে পৌঁছতে না পাড়ায় বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।
দু-একটা বাস আসলে তাতে যেন হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন মানুষ।বাসের জন্য চলছে হাহাকার। এছাড়া ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করছেন যাত্রীরা।
মহাসড়কে যানজটে আটকে থেকে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন ঘরমুখো মানুষ। সকালেই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ২৫ কিলোমিটার জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অন্তত ২৬টি জেলার বাস ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ব্যবহার করে। তবে পদ্মা বহুমুখী সেতুর দিকে যাওয়া ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে জুড়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বাস মালিকরা জানিয়েছেন, মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের কারণে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় অনেক যাত্রী বাসে করে মাদারীপুর, শরীয়তপুর, খুলনা, বরিশাল ও ফরিদপুর যেতে চাচ্ছেন। এতে বাস টার্মিনালগুলোতে এ বছর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়, ভোগান্তিতে যাত্রীরা