রাজিবপুরে অনেকেই পাননি ভিজিএফের চাল  

আপডেট : ১১ জুলাই ২০২২, ০১:১২

দেশের দরিদ্রতম বন্যা কবলিত কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল পাননি তালিকায় নাম থাকা অনেকেই। শেষ দিন শনিবার (৯  জুলাই) বিকেলে ভুক্তভোগীরা ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ১০ কেজি করে চাল নিতে গিয়ে তারা হতাশ হয়ে ফিরে যান। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,  বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ঈদ উপলক্ষে ৮ হাজার ২শ হত দরিদ্রদের মাঝে ১০ কেজি করে ভিজিএফের চাল বিতরণ চলে। শনিবার দুপুরেই স্লিপের মাধ্যমে চাল বিতরণের কাজ শেষ করেন ইউপি চেয়ারম্যান মিরন মো. ইলিয়াস। ফলে প্রায় অর্ধেক লোকও জানেন না তাদের তালিকায় নাম রয়েছে। এতে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। 

ভুক্তভোগী মনোয়ারা, আসমা, রমজান, সাদেক, মুকুলসহ অনেকে জানান, দুই দিন ধরে স্লিপ নিয়ে চালের জন্য ঘুরতেছি। মিরন চেয়ারম্যান বলে মাল নেই। আগে আসেন নাই কেন। এবার আর হবে না।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম বাদল বলেন, আমি ৭/৮ দিনে ভিজিএফের চাল বিতরণ করে শেষ করতে পারিনি। এরা কিভাবে দুইতিন দিনে চাল দিয়ে শেষ করে। 

রাজিবপুর ইউনিয়নে ট্যাক অফিসার হেলাল উদ্দিন অনেকেই চাল না পাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা চেয়ারম্যানের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলেন। 

রাজিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিরন মো. ইলিয়াস বলেন, আমি ৮ হাজার ২শ কার্ড উপজেলা চেয়ারম্যান, দল ও অন্যাদের মাঝে ভাগাভাগি করে দিয়েছি। আর আমি পরিষদের জন্য কিছু রেখেছি। কার ভাগের চাল পেল না তা আমার জানা নেই।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিঃদাঃ) আজিজুর রহমান বলেন, এতগুলো ভিজিএফের কার্ড যদি অনেক না পায় তাহলে এটা দুঃখজনক। এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে।

উপজেলা চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো বলেন, চাল না পাওয়ার কথা কিছুটা শুনেছি। গোডাউনে মাল নাকি আছে। এ রকম কথা আমার কানে আসছে।
রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্ত্তী বলেন, ভিজিএফের চালের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হবে।

 

 

ইত্তেফাক/ইআ