গৌরনদীতে কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২২, ১৯:২৩

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকি বন্দর দক্ষিণাঞ্চলের চামড়া বেচাকেনার বৃহৎ মোকাম হিসেবে পরিচিত। এখানকার চামড়ার ব্যবসায়ীরা লবণের মূল্যবৃদ্ধি, কোরবানির পশুর চামড়ার কম দাম ও চাহিদা না থাকায় বিক্রি করা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। 

কোরবানির পর পর ঢাকার ট্যানারির মালিকরা টরকি থেকে প্রতি বছর চামড়া কিনে নিজস্ব পরিবহনে চামড়া নিয়ে যান ঢাকায়। এ বছর ট্যানারির কোনো মালিক না আসায় চামড়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। চামড়া সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় চামড়া পচনের আশঙ্কা করছেন এসব মৌসুমিসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। 

বরিশালের বিভিন্ন উপজেলা ও পার্শ্ববর্তীর মাদারীপুরসহ কয়েকটি জেলা থেকে ও গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনে টরকি বন্দরের মোকামে বিক্রি করেন। এবার কোনো মহাজনই চামড়া নেবেন না বলে জানা গেছে। তাই চামড়ার দাম গত ত্রিশ বছরের তুলনায় খুবই কম। পশুর চামড়ার দাম ১০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ছাগল ও গাভীর চামড়া বিক্রিই হচ্ছে না। টরকিতে চামড়া কেনার বড় মোকাম হলেও এবারে ঢাকা থেকে মহাজনরা চামড়া কিনতে না আসায় ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন।  

 

ইত্তেফাক/এআই