রাজিবপুর উপজেলা এলজিইডি অফিসে কাজ না করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ ওঠেছে। এডিপির অতিরিক্ত বরাদ্দকৃত ২০ লাখ টাকা কোনো প্রকার কাজ না করেই উত্তোলন করেছে কর্তৃপক্ষ। দেশের দরিদ্র্যতম উপজেলার উন্নয়নমূলক কাজ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এ এলাকার মানুষ। এ জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর এলজিইডির দুই যুগ ধরে কর্মরত অফিস সহকারী আব্দুল হাকিম ও কর্মকর্তাদের দায়ী করছেন স্থানীয়রা। প্রকল্পের কাজ না করে সমুদয় বিল উত্তোলন করায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, জুন মাসের শেষে ২০২১-২২ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি) উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ২০ লাখ টাকা এমপির অতিরিক্ত বরাদ্দ পায় এলজিইডি। বরাদ্দের টাকা চলতি অর্থবছরে টেন্ডার বা প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ শেষ করে বিল দেওয়ার কথা থাকলেও তা কোনো কাজ না করে ২০ লাখ টাকা জুনের শেষ দিকে উত্তোলন করেছেন উপজেলা প্রকৌশলী। কিন্তু প্রশ্ন ওঠেছে, কাজ না করে সরকারি লাখ লাখ টাকা কী ভাবে ওঠালেন তিনি।
রাজিবপুর ইউনিয়নের সাত্তার, রফিক, সোনা, সরবতকসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, দেশের সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলায় সরকারের দেওয়া টাকা হরিলুট হয়ে যায়। আর এটা আমাদেরকে দেখতে হয়। কেন এ উপজেলা দরিদ্রতম থাকবে না। সরকারের বরাদ্দ কোনো কাজ করে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজিবপুর উপজেলা প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মামুনুর রহমান তা এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, টাকা খরচ করা হয়নি রেখে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্ত্তী বলেন, সময় কম থাকায় কাজ করা সম্ভব হয়নি। তাই টাকা উত্তোলন করে রেখে দেওয়া হয়েছ। কিছু দিনের মধ্যে কাজ করা হবে।
