কক্সবাজার সৈকত

পর্যটক হয়রানির ১ সপ্তাহ পর অভিযোগ, ফটোগ্রাফার আটক

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২২, ১৬:৫৯

পর্যটক হয়রানির অভিযোগে কক্সবাজার সৈকতের এক ফটোগ্রাফারকে আটক করেছে টুরিস্ট পুলিশ। 

রবিবার (১৭ জুলাই) সকালে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে তাকে আটক করা হয়। ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে পর্যটক হয়রানির অভিযোগে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম। আটককৃত ফটোগ্রাফার মো. ইউনুসের ফটোগ্রাফার পোশাক নম্বর ৫৯২।

ভুক্তভোগী পর্যটক সিফাত মাহমুদ জানান, গত ৯ জুলাই আমার স্ত্রীসহ সুগন্ধা সৈকতে যাই। ওখানে এক ক্যামেরা ম্যান অনেক অনুরোধ করে ছবি তোলার জন্য। এরপর আমরা কয়েকটা ছবি তুলি। কথা ছিলো সব মিলে ৩০/৪০টা ছবি আমরা নেবো। কিন্তু সে ২৫০টা ছবি তোলে এবং বিল করে ৮০০ টাকা। যখন আমি অতিরিক্ত ছবি নিতে অস্বীকৃতি জানাই তখন ওই ফটোগ্রাফার হুমকি ধামকি দিতে শুরু করে। তখন আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে চলে আসি। পরে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করি।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম বলেন, শনিবার (১৬ জুলাই) আমাদের সরকারি নাম্বারের হোয়াটসঅ্যাপে একজন ভুক্তভোগী ফটোগ্রাফার কর্তৃক হয়রানির একটি অভিযোগ পাঠান। সঙ্গে সঙ্গে টুরিস্ট পুলিশের একটি টিমকে অভিযুক্ত ফটোগ্রাফারকে জার্সি নম্বর অনুযায়ী খুঁজে পাঠানো হয়। সারাদিন তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও রবিবার সকালে তাকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মূলত ফটোগ্রাফারদের লাইসেন্স দেয় জেলা প্রশাসন। আমাদের কাছে কোনো ডাটাবেইজ থাকে না যার কারণে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। আমরা ডাটাবেইজ করার উদ্যোগ নিয়েছি। খুব শিগগিরই ডাটাবেইজ করার কাজ শেষ হবে। আমরা ফটোগ্রাফারদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা কররো। আশা করি তখন এরকম অভিযোগ থাকবে না।

তিনি বলেন, ইউনুসের বিষয়ে আমরা অভিযোগকারীর সঙ্গে কথা বলেছি। অভিযুক্ত ফটোগ্রাফারকে বিচারের জন্য আদালতে প্রেরণ করবো। 

রেজাউল করিম বলেন, সৈকতের প্রত্যেকটি পয়েন্টে আমাদের হেল্প ডেস্ক রয়েছে। কক্সবাজারে ভ্রমণে আসা টুরিস্টদের অনুরোধ করবো যে কোনো হয়রানি বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ক্ষেত্রে টুরিস্ট পুলিশের সহায়তা নিতে।

ইত্তেফাক/এমএএম