স্পোর্টস ডেস্ক
আপাতত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যেতে হচ্ছে না লঙ্কান পেসার নুয়ান প্রদীপকে। তবে, ৩২ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে পারছেন না। ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি জানিয়েছে ইনজুরি কাটিয়ে উঠতে সপ্তাহ খানেক সময় লাগবে তার।
গেল রোববারের কথা। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে অনুশীলনে কুশল পেরেরাকে বল করছিলেন প্রদীপ। সেখানে পেরেরার একটি শট সরাসরি প্রদীপের মাথার দিকে দ্রুতবেগে ছুটে আসে। ডানহাতে মুখ আড়াল করেন লঙ্কান এ পেসার। এতে মাথায় আঘাত থেকে বাঁচলেও ডান হাতের আঙুলে চোট পান তিনি। তখনই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শ্রীলঙ্কা দলের ম্যানেজার অসন্থা ডি মেল বলেন, ‘নুয়ানকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিত্সকরা ওর আঙুলের দেখভাল করছেন। সরে যাওয়া আঙুলটাকে ডাক্তাররা আগের অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। কয়েকটা সেলাই লেগেছে। ওকে আপাতত অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে। আপাতত মঙ্গলবার (আজ) বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে ও খেলতে পারবে না। ওর ইনজুরি কাটিয়ে উঠতে এক সপ্তাহের মতো সময় লাগবে।
চলতি বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে লঙ্কানদের জয় একটি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে পাওয়া ঐ জয়ে বড় অবদান ছিল প্রদীপের। ৩১ রান খরচায় চার উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরাও হয়েছিলেন তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে তাই তাঁর না থাকাটা বড় একটা বিপদের কারণই হতে পারে দ্বিমুথ করুনারত্নের দলের জন্য।
প্রদীপ ইনজুরি কাটিয়ে ফিটনেস ফিরে পেয়ে আদৌ বিশ্বকাপে আর খেলবেন কি না তা নিয়েও শঙ্কা আছে। সে ক্ষেত্রে কপাল খুলে যেতে পারে আরেক পেসার কুশান রাজিথার। ‘স্ট্যান্ড বাই’ হিসেবে শ্রীলঙ্কা দলের সঙ্গে ইংল্যান্ডে সফর করছেন তিনি। আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে লাহিরু থিরিমান্নের খেলা নিয়েও শঙ্কা আছে। কারণ, অনুশীলন সময় তিনি হাঁটুতে ব্যথা অনুভব করেছেন। আজ ফিটনেস ফিরে পেলেই কেবল তাকে মাঠে নামাবে লঙ্কান টিম ম্যানেজমেন্ট।
এক নজরে
বাংলাদেশ—শ্রীলঙ্কা
ম্যাচ: ৪৫
বাংলাদেশের জয় : ৭
শ্রীলঙ্কার জয়: ৩৬
পরিত্যক্ত: ২
দলীয় সর্বোচ্চ রান
বাংলাদেশ: ৩২৪/৫ (ডাম্বুলা, ২০১৭)
শ্রীলঙ্কা: ৩৫৭/৯ (লাহোর, ২০০৮)
ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান
বাংলাদেশ: ৬৪৫ (তামিম ইকবাল)
শ্রীলঙ্কা: ১২০৬ (কুমার সাঙ্গাকারা)
ব্যক্তিগত সেরা ইনিংস
বাংলাদেশ: ১৪৪ (মুশফিকুর রহিম)
শ্রীলঙ্কা: ১৬১* (তিলকরত্নে দিলশান)
ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ উইকেট
বাংলাদেশ: ২৬ (মাশরাফি বিন মুর্তজা)
শ্রীলঙ্কা: ৩১ (মুত্তিয়া মুরালিধরন)
ব্যক্তিগত সেরা বোলিং
বাংলাদেশ: ৫-৬২ (আব্দুর রাজ্জাক)
শ্রীলঙ্কা: ৬-২৫ (চামিন্দা ভাস)
সর্বোচ্চ ডিসমিসাল
বাংলাদেশ: ২১ (মুশফিকুর রহিম)
শ্রীলঙ্কা: ৪৯ (কুমার সাঙ্গাকারা)
সেরা জুটি
বাংলাদেশ: ১৪৪ (তামিম-সাকিব)
শ্রীলঙ্কা: ২১৫ (থারাঙ্গা-জয়াবর্ধনে)
