গ্রেড-পদবির পরিবর্তন দাবি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২২, ১৪:৫৮

সচিবালয়ের মতো গ্রেড ও পদবি পরিবর্তন করা এবং বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাস্তবায়ন ঐক্য পরিষদ। শনিবার (২৩ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাস্তবায়ন ঐক্য পরিষদ আয়োজিত এক মানববন্ধনে তারা এ দাবি করেন।

সরকার ১৯৯৫ সালে প্রজ্ঞাপন জারি করে শুধু সচিবালয়ের বর্ণিত পদগুলো আপগ্রেড করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদবি পরিবর্তনসহ ১০নং গ্রেডে উন্নীত করে। ফলে সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে পদবি ও বেতন বৈষম্যের সৃষ্টি হয়, যা এখনো বিরাজমান। তাই বিদ্যমান পদবি ও বেতন গ্রেড পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন সরকারি কর্মচারীরা।

মানববন্ধনে সংগঠনের মহাসচিব আবু নাসির খান বলেন, সচিবালয়ের ভেতরে ও বাইরে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী, সহকারী বিভিন্ন পদের পদবি ও বেতন স্কেল এক ও অভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও তৎকালীন সরকার ১৯৯৫ সালের প্রজ্ঞাপন জারি করে শুধুমাত্র সচিবালয়ের বর্ণিত পদগুলো আপগ্রেড করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদবি পরিবর্তনসহ ১০নং গ্রেডে উন্নীত করে। ফলে সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে পদবি ও বেতন বৈষম্যের সৃষ্টি হয়।

পদবি-বেতন গ্রেড পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন

তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় পাবলিক সার্ভিস কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট, গণভবন, বঙ্গভবনে বর্ণিত পদগুলোও আপগ্রেড করা হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য দপ্তরের বর্ণিত পদগুলো অদ্যাবধি পূর্বের মতো রয়ে গেছে। অনতিবিলম্বে তারা এ পদবি বৈষম্যের অবসান চান।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সরকার উচ্চমান সহকারী, প্রধান সহকারীর সমস্কেল ও নিম্ন স্কেলের কর্মচারীদের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, ব্লক সুপার ভাইজার, ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, পুলিশের এসআই, নার্স, অডিটর ও খাদ্য পরিদর্শকসহ পদগুলো ২য় শ্রেণির পদমর্যাদায় উন্নীত করেছে। কিন্তু অন্যান্য দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও কর্পোরেশনের সমপদগুলো উন্নীত না করায় দীর্ঘ ২৭ বছর যাবত তারা বঞ্চিত রয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের উচ্চপদে আসীন হওয়ায় পরবর্তী প্রজন্ম উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। 

মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি কে এম বদিউজ্জামানসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী, সহকারী, সমপদ ও উক্ত পদের ফিডার পদের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইত্তেফাক/এএইচপি