রোববার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

অনুমোদনবিহীন পুলিশবক্স উচ্ছেদ করলো ডিএনসিসি

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২২, ২০:১৪

রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সম্মুখে ফুটপাতে নির্মিত অনুমোদনবিহীন ট্রাফিক পুলিশবক্স উচ্ছেদ করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। শনিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে উচ্ছেদ অভিযানটি পরিচালনা করেন অঞ্চল-০৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ। 

হাসপাতালের সামনের ফুটপাতে ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের একটি পুরনো পুলিশ বক্স ছিল। এর পাশেই কংক্রিটের পিলার স্থাপন করে ইটের দেয়াল গেঁথে আরেকটি স্থায়ী পুলিশ বক্স নির্মাণ করা হয়েছিল। অভিযানের সময় দুটি পুলিশ বক্সই ভেঙে ফেলা হয়েছে। অভিযান শুরুর আগে পুরনো পুলিশ বক্সের ভেতর থেকে চেয়ার-টেবিল ও অন্যান্য আসবাব সরিয়ে নেন ওই স্থানের দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। 

উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, পথচারীর যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে। আজকে যদি এই ফুটপাত ব্যবহার করতে না পারার কারণে কোন দুর্ঘটনা ঘটে বা কোন পথচারীর মৃত্যু হয় এই দায় কে নিবে? দেখে খুবই আশ্চর্য লেগেছে, খুব খারাপও লেগেছে। আমাদের ১৮ ফুট চওড়া ফুটপাতটিকে কীভাবে স্থায়ী পুলিশ বক্স করা হয়েছে।

এই অঞ্চলে বেশ কয়েকটি হাসপাতাল রয়েছে উল্লেখ করে আতিক বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য রোগী সেবা পেতে এই ফুটপাত দিয়ে হাসপাতালে যাতায়াত করে। অনেকে  হুইল চেয়ার ব্যবহার করে। বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত যাতায়াত করে এই ফুটপাত দিয়ে। এসব বিষয় চিন্তা করে এই এলাকায় ফুটপাত চওড়া করে বানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আমাকে জানিয়েছে ফুটপাতে এই স্থাপনার জন্য তাদের চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। এমনকি তাদের রাস্তায় নেমে যেতে হয়। ফলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে যেকোনো সময়।

মেয়র  বলেন, পিলার ও দেয়াল দিয়ে ফুটপাত পুরো দখল করে পুলিশ বক্স হবে, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত। অবশ্যই পুলিশদের জন্য জায়গা লাগবে। তবে আলোচনার ভিত্তিতে কাজগুলো করা যায়। আপনারা (পুলিশ) আসুন, আলোচনা করুন। দরকার হলে আমরা সরকারকে বলব পুলিশ বক্সের জন্য জায়গা দিতে। কিন্তু এভাবে পুরো ফুটপাত দখল করে পুলিশ বক্স করা হবে, তা কাম্য নয়। জনগণ যাতে দুর্ভোগ না পোহায় এ ব্যাপারে আরও সচেতন হতে হবে। 

এছাড়াও শুক্রবার (২২ জুলাই) দুপুরে বনানী কাঁচাবাজারে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ৩৩টি (তেত্রিশ) দোকান উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান শেষে পুরো এলাকাটি পরিচ্ছন্ন করা হয় ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

ইত্তেফাক/এনএ