সেপ্টেম্বরে খেরসনকে মুক্ত করার আশা ইউক্রেনের

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২২, ০১:৪৩

আগামী সেপ্টেম্বর নাগাদ রাশিয়ার দখলদারিত্ব থেকে খেরসন অঞ্চলকে মুক্ত করার আশাবাদের কথা জানিয়েছে ইউক্রেন। অন্য দিকে ইউক্রেনে হিমার্সের গোলাবারুদের গুদাম ধ্বংসের দাবি করেছে রাশিয়া।

জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারিতে খেরসন অঞ্চলটির দখল নেয় রুশ সেনারা। ডিনিপ্রো নদীর তীরবর্তী এই এলাকাটিকে কৌশলগতভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইউক্রেনীয় টেলিভিশনের সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে অঞ্চলটি পুনরুদ্ধার নিয়ে কথা বলেন খেরসন অঞ্চলের প্রশাসনিক প্রধানের সহকারী সের্গেই খলান। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ইউক্রেনীয় বাহিনী ফের অঞ্চলটি দখল করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় সের্গেই খলান বলেন, আমরা বলতে পারি যে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে খেরসন অঞ্চলটি অবশ্যই মুক্ত হবে এবং দখলদারদের যাবতীয় পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, দেশটির সেনারা ধাপে ধাপে রাশিয়ার দখলকৃত দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসনের দিকে এগোচ্ছে। আর যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খেরসনের কাছে তুমুল লড়াই চলছে।

অন্য দিকে ইউক্রেনে হিমার্সের গোলাবারুদের গুদাম ধ্বংসের দাবি করেছে রাশিয়া। হিমার্স রকেট ব্যবস্থাকে যুদ্ধের গেম চেঞ্জার বলে মনে করা হচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, রুশ সেনারা ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা হিমার্স রকেট ব্যবস্থার গোলাবারুদের একটি গুদাম ধ্বংস করেছে। গতকাল সোমবার খেমেলনিতস্কি অঞ্চলের বগডাদোভতসিতে এই গুদাম ধ্বংস করা হয়। রাশিয়া এর আগেও ইউক্রেনে পশ্চিমাদের পাঠানো বেশ কয়েকটি হিমার্স ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি করে। তবে কিয়েভের পক্ষ থেকে এসব দাবি অস্বীকার করা হয়।

গতকাল সোমবারের হামলাটি রয়টার্সের পক্ষ থেকে স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিয়েভ আশা করছে যুক্তরাষ্ট্রের হিমার্স রকেট সিস্টেমের মতো করে পশ্চিমা অস্ত্রের জোগান বাড়তে থাকলে তারা তাদের হারানো ভূমি পুনরায় দখল করে নিতে পারবে। ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে কথিত ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করে রাশিয়া। এই অভিযানকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে পুতিন ও তার ঘনিষ্ঠজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো। চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বেসামরিক হত্যা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগও এনেছে কিয়েভ।

ইত্তেফাক/ইআ