সিরাজগঞ্জ পৌরসভার শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি পৌর শিশু পার্কে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে তোলা হয়েছে গরু ও মুরগির খামার। এদিকে খামারের দুর্গন্ধে কমছে পার্কের দর্শনার্থীর সংখ্যা।
বুধবার (২৭ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, পার্কে বেশকিছু দর্শনার্থীর ঘুরছেন-ফিরছেন। তবে গরু-মুরগির খামারের কারণে অনেকেই অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন। সিরাজগঞ্জের একমাত্র শিশু পার্ক হওয়া স্বত্বেও এখানে নেই স্বাস্থ্যকর পরিবেশ। পার্কের উত্তর পাশে পাশাপাশি গড়ে উঠেছে গরু ও মুরগির খামার। খামারের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ আগত দর্শনার্থীরা।
পার্কে দেখা হয় হোসেনপুর গ্রামের আফিফা সুলতানা দম্পতি সঙ্গে। তারা অভিযোগ করে বলেন, ‘এই পার্কে মাঝেমধ্যে সন্তানকে নিয়ে ঘুরতে আসি। পার্কের শেষ প্রান্তে বেশকিছু মুরগির খামার করায় ভোগান্তি পোহাতে হয় নিয়মিত।’ এসব খামার দ্রুত অপসারণ করে শিশুদের খেলাধুলার জন্য সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করতে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানান তারা।
সিরাজগঞ্জ শহরের এসএস রোডের বাসিন্দা শিক্ষক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি পৌর শিশু পার্কের শেষ প্রান্তে মুরগির খামার ও বিভিন্ন পশুর বিষ্ঠার দুর্গন্ধে আর যাওয়া যায় না। তাই এখন আর তেমন আসি না, আসলেও সামনের দিক ঘুরে চলে যাই।’
বি এল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাইমুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুল গেটের কাছে শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি পৌর শিশু পার্ক। অথচ পার্কের মধ্যে প্রবেশ করা যায় না। বরং পার্কের দুর্গন্ধে রাস্তা দিয়ে চলাচল করতেও অনেক অসুবিধা হয়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পৌর শিশু পার্ক এর এক কর্মচারী বলেন, ‘সিরাজগঞ্জের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নেতৃত্বে এখানে বিভিন্ন প্রকার মুরগি, গরুর খামার করা হয়েছে। এই খামারের বিষ্ঠার দুর্গন্ধের কারণে পার্কের দর্শনার্থীদের কষ্ট হচ্ছে। তারা পার্কের মধ্যে ভালোভাবে ঘুরতে পারছে না। এছাড়া এই দুর্গন্ধের কারণে শিশুরা বিভিন্ন রাইডেও উঠতে পারছে না। খুব দ্রুত মুরগির খামার অপসারণ প্রয়োজন।
সিরাজগঞ্জ পৌরসভার (প্যানেল মেয়র- ১) মো. নূরুল হক বলেন, ‘শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি পৌর শিশু পার্কে গরু-মুরগির খামারের জন্য পরিবেশ নষ্ট হলে অতিসত্বর পৌরসভা থেকে লোক পাঠিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে খামার অপসারণ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফুলবাড়ীতে বেড়েছে বৈদ্যুতিক ফ্যানের চাহিদা, দাম চড়া