সিপিইসিতে তৃতীয় পক্ষের সম্পৃক্ততা চায়না ভারত

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২২, ১৯:২৩

চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) প্রকল্পগুলিতে তৃতীয় দেশগুলির সম্পৃক্ততায় বিরোধিতা প্রকাশ করেছে ভারত। দেশটি জানিয়েছে, যে কোনও পক্ষের দ্বারা এই জাতীয় কোনও কার্যকলাপ ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সরাসরি লঙ্ঘন করেছে।

মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, ”ওই করিডরে যা হচ্ছে তা একেবারেই বেআইনি, অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য। ভারত এর বিরুদ্ধে যথাযোগ্য পদক্ষেপ করবে।” তিনি আরও বলেন, ”আমরা এমন রিপোর্ট পেয়েছি, যেখানে বলা হয়েছে তথাকথিত সিপিইসি প্রকল্পে তৃতীয় দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। এই ধরনের কার্যকলাপ সরাসরি ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতায় প্রভাব ফেলে।”

ভারতের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের উপর দিয়ে অর্থনৈতিক করিডর বানাচ্ছে চীন। করিডর তাদের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে বলে মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে। ২০১৩ সাল থেকে এই প্রকল্পের সূচনা হয়। পাকিস্তানের রাস্তা, রেলপথ ও শক্তি পরিবহন পরিকাঠামো গড়ে তোলাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে বেজিং। ভারত প্রথম থেকেই এর প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছে।

রবিবার ২৩তম কার্গিল বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়ে দিয়েছেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ আগেও ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি পরিষ্কার করে দেন, সংসদে একটি রেজোলিউশন নওয়া হয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে। রাজনাথ বলেন, বাবা অমরনাথ ভারতে এবং নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে থাকবে মা শারদা, এটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

ইত্তেফাক/এএইচপি