দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর এলাকায় কোনো বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় বিকেল হলেই রেললাইনে বসে আড্ডা দেয় মানুষ। অনেকে রেললাইনে বসে হেডফোন কানে দিয়ে গান শোনেন। ফলে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বিরামপুর শহরে কোনো বিনোদন কেন্দ্র নেই। ১৯৯৫ সালে বিরামপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হলেও বিনোদনের কোনো জায়গা করা হয়নি। ফলে শহরের ইট-পাথরে আবদ্ধ থেকে হাঁপিয়ে ওঠা লোকজন একটু মুক্ত বাতাসের জন্য বিকেল হলেই ছুটে যায় রেললাইনে। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ লাইনের ওপর বসে আড্ডা দেয়। বিরামপুর স্টেশন থেকে দক্ষিণ দিকে পলাবাড়ি রেলগেট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রেললাইনে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। এই লাইন দিয়ে বিকেলে ৬ থেকে ৮টি ট্রেন চলাচল করে থাকে। এ কারণে যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।
রেললাইনে ঘুরতে আসা পুরাতন বাজারের আশরাফুল ইসলাম জানান, শহরের গুমোট পরিবেশ থেকে স্বস্তি পেতে তিনি প্রায়ই এই রেললাইনে ঘুরতে আসেন।
বিরামপুর পৌর মেয়র অধ্যক্ষ আককাস আলী জানান, পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত পার্ক নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি। বর্তমানে তিনি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
বিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজু জানান, মানুষের আনন্দ বিনোদনের জন্য তিনি নিজ অর্থায়নে ঢাকা-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে ৩৬ বিঘা জমির ওপর একোয়া থিম পার্ক নামে একটি বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণ করেছেন। এই বিনোদন কেন্দ্রটি শিগগিরই উদ্বোধন করে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

৭ মাসে রেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ১৭৮ জনের