রোববার, ১৪ আগস্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

রাজনৈতিক সমঝোতায় বিদেশিদের দৌড়ঝাঁপ: এর শেষ কোথায়!

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২২, ০০:১১

নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই সরকারি এবং বিরোধী দলের ক্ষমতার রাজনীতির বাকযুদ্ধ বেড়েই চলেছে।বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেমন ওয়ান-ইলেভেন আছে, তেমনি সেনাবাহিনীর ক্ষমতা প্রয়োগ করার রাজনীতিও আছে। ৭৫-এর ১৫আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার ঘটনায় যেমন রাজনৈতিক এবং সিভিল- মিলিটারি নেক্সাস ছিল, তেমনি বিদেশি ষড়যন্ত্রও ছিল।বঙ্গবন্ধু হত্যার পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র এবং অপ্রয়োজনে নাক গলানো একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।বিশেষ করে বিএনপি নালিশের রাজনীতি করে চোরাবালির মধ্যে গর্ত তৈরি করে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছে। 

বস্তুত জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দল বিএনপি -এর ক্ষমতায় আসার জন্য যে ধরনের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং আন্দোলন করার মতো যোগ্যতা থাকা দরকার,তার কোনোটাই প্রদর্শন করতে পারছে না।ফলে জনবিচ্ছিন্ন এই দলটি ছলেবলে কলে-কৌশলে ক্ষমতায় আসার একটি সিভিল-মিলিটারি নেক্সাস তৈরিতে বিদেশিদের দরবারে, বিশেষ করে বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের কাছে বিভিন্ন ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎকারের  নামে ইনিয়ে-বিনিয়ে ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং ভোট কারচুপির ব্যর্থতাকে সামনে নিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকার যে অপপ্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, তার প্রতি  জনগণের সজাগ দৃষ্টি আছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে পেছনের দরজা দিয়ে দেশে একটি প্রচ্ছন্ন অস্থিরতা তৈরি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার মতো পরিবেশ তৈরি করে ক্ষমতা গ্রহণের একটি অশ্লীল চরিত্র বিরোধী দলের তথা বিএনপি'র পূর্ব থেকেই ছিল।  

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া "জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায়" সাজাপ্রাপ্ত আসামি হয়ে কারাবন্দি আছেন।  দলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হিসেবে ইংল্যান্ডে বসবাস করছেন।রাজনৈতিক কমিটমেন্ট না রেখে একটি স্বচ্ছন্দ জীবনযাপন করছেন এবং সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপার থেকে দেশের রাজনীতির কলকাঠি নাড়াতে গিয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পেছনের দরজা বা ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেওয়ার নানা ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে অনেকে মনে করেন। 

পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে বলে যে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ানো হচ্ছে তার সাথেও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নানাভাবে  ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মত ও পথকে অনুসরণ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে।পদ্মা সেতুর বর্ণাঢ্য  উদ্বোধনকে উপেক্ষা করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের রাষ্ট্রদ্রোহিতার  মতো একটি অপরাধকে সমর্থন যুগিয়েছেন জনাব ফখরুল ইসলাম।

ড. আব্দুল ওয়াদুদ

বিএনপির মহাসচিব জনাব ফখরুল ইসলাম পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ না করে কারণ হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কটাক্ষকে মানহানিকর বলে বিবৃতি দিয়েছেন শুধু কি তা-ই? যখন বিশ্বব্যাংক ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে ঋণ প্রত্যাহার করে নেয়, তখন আওয়ামী লীগ সরকারের চলমান উন্নয়ন ধারা বাধাগ্রস্ত হলেই যেন শেখ হাসিনা সরকারকে অপদস্থ করা  যায় এ প্রবণতা ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশে পরিলক্ষিত হয়ে আসছে, যার সাথে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুশীল সমাজের যে দ্বৈত ভূমিকা  তা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। বিশেষ করে ভোটের রাজনীতিতে সংবিধান সমুন্নত রাখাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব। প্রধান নির্বাচন কমিশনার দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাতে পারে, তবে কোনো দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে সেই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না, এ ধরনের বচন তার সাংবিধানিক পদের সাথে সাংঘর্ষিক। বিশেষ করে একজন নির্বাচন কমিশনার বা প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাঁর নিকট রাষ্ট্রীয়ভাবে অর্পিত ক্ষমতাকে যথাযথভাবে প্রয়োগের মাধ্যমে একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে কৌশলগত, কারিগরি এবং আইনগত পরিবেশ সৃষ্টি করা দরকার, তা তিনি করবেন নির্বাচন এবং জনস্বার্থে। সেখানে কোন দল নির্বাচন করল, কোন দল করলো না, কারো কি আস্থা আছে? কি নাই? এসব দেখার সাংবিধানিক দায়িত্ব রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দেননি, বা তার এ ধরনের উদ্যোগ আপাতদৃষ্টিতে কল্যাণকর মনে হলেও নির্বাচনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে তা ব্যাহত করবে, যদি প্রধান বিরোধী দল পূর্বের মতো নির্বাচনে না যাওয়ার সংকল্প নিয়ে মাঠের রাজনীতিতে অটল থাকে। ইতোমধ্যে বিএনপি বর্তমান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। তারা চায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার শতভাগ গ্যারান্টি যা কেবল জনগণ দিতে পারে, নির্বাচন কমিশন নয়। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন-এর বিভিন্ন উদ্যোগ ও তার সঠিক বাস্তবায়ন —সঠিক পথে রয়েছে বলে মনে করে দেশের সাধারণ মানুষ।

ঘোলা পানিতে মৎস্য শিকারে সাধারণত প্রধান বিরোধী দল—যাদের প্রধান দুজন আইনের কাঠগড়ায়  নত হয়ে আছেন, তাদের প্রতি সাধারণ জনগণের কী আস্থা থাকবে? সেটা ভালোভাবেই সাধারণ মানুষ অনুধাবন করতে পারে। অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে প্রধান বিরোধী দল যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলেছে, তা সংবিধান পরিপন্থি বিধায় এটি একটি আইনি  মীমাংসিত সত্য। একটি স্থিতিশীল সরকার সংবিধানের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়, এমন কোনো পথে কখনোই হাঁটবে না বা হাঁটতে পারে না। বিদেশি কূটনীতিকদের বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে অহেতুক নাক গলানো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের নামে একটি ভিন্ন প্রক্রিয়ায় কূটনীতিকদের  দেন-দরবার করা  সেটি সরকারি দলের সাথেই হোক বা বিরোধী দলের সাথেই হোক না কেন, এটি কোনো কূটনৈতিক  আচরণের প্রটোকলের মধ্যে পড়ে না এবং ভিয়েনা কনভেনশন (Vienna Convention on Diplomatic Relations 1961 and the Vienna Convention on Consular Relations 1963) অনুযায়ী, কূটনীতিদের আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। নিজেদের দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও নাজুক মানবাধিকার পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও বিদেশিরা  আমাদের এসব ব্যাপারে ছবক দিচ্ছেন  এবং মোড়লিপনার অপচেষ্টায়  লিপ্ত হচ্ছেন। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, আইএমএফ আমাদের দেশের  মুদ্রা পাচার হয়ে যাচ্ছে — এ ধরনের  সতর্কবাণী   দিলেও কোনো দেশই সঠিক তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করছে না। যারা খুনি, সাজাপ্রাপ্ত, চিহ্নিত অপরাধীদের আশ্রয়  দিয়ে  সহযোগিতা করছে তাদের মুখে  মানবাধিকারের কথা মানায় না। 

প্রসঙ্গক্রমে, যুক্তরাষ্ট্রের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। গুম, খুন, পুলিশি নির্যাতন যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন মুলুকে। তাদের নিজের দেশেই মানবাধিকার পরিস্থিতি নড়বড়ে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়,দেশটিতে প্রতিবছর গড়ে গুমের সংখ্যা সাড়ে ৫ থেকে ৬ লাখ মানুষ। বিশ্বকে মানবাধিকারের ছবক দেওয়া ও মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই ২০১৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৭ বছরে পুলিশের গুলিতে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার কোনো বিচার  হয়নি। কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটির (Quinnipiac University)এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৫৮ শতাংশ মানুষ মনে করে, তাদের দেশের গণতন্ত্রের গুরুত্ব ক্রমহ্রাসমান । 

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো আমাদের দেশের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যেই অপপ্রচার চালাচ্ছে। এসব অপপ্রচারের অন্তর্নিহিত অর্থ সবারই জানা। আমেরিকা  বা অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলি, যদি কোনো দেশকে চাপে রাখতে চায়, তাহলে তারা মানবাধিকার সংস্থা দিয়ে এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট রিপোর্ট তৈরির ফন্দি এঁটে সরকারকে চাপে রাখার  অপপ্রয়াস চালায়। যেসব দল কূটনৈতিক চ্যানেলে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করে এবং দেন-দরবার করার প্রক্রিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত আছে, তাদের ব্যাপারে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইনি সংস্থাগুলো খতিয়ে দেখতে পারে যে, এগুলো রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের ব্যাপারে সাংঘর্ষিক কি না? কিছু রাজনৈতিক দল দেশের মাটিতে রাজনৈতিক সমর্থনের দৈন্যতায় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে মিলিত হয়ে দেশে একটা অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার পাঁয়তারা করছে। কথায়-কথায় সমঝোতার নামে কূটনীতিকদের রাজনৈতিক সমাধানের ব্যাপারে দূতায়ালি করা অনেক সময় রাষ্ট্রের মর্যাদার প্রতি একটি হুমকি হিসেবে কাজ করে বলে বিজ্ঞমহল মনে করে।

প্রধান বিরোধীদল চাইলে আলোচনার মাধ্যমে অথবা স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশে দাঁড়িয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে তাদের দাবি আদায়ের গণতান্ত্রিক অবস্থান প্রদর্শনের  মাধ্যমে  একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের কৌশলগত দিক আলোচনা করে একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করলে দেশে একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে। বিদেশিদের কাছে ধরনা দিয়ে বা নালিশ জানিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে পরিবর্তন আনা বর্তমান উন্নয়নের  রাজনীতিতে যে বিস্ফোরণ তৈরি হয়েছে, তার সাথে টেক্কা দিতে গেলে  দেশি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বরং নিজেদের কূটনৈতিক, রাজনৈতিক  এবং অর্থনৈতিক সুবিধাবঞ্চিত হওয়া ছাড়া আর কিছুই অর্জন করতে পারবে বলে মনে হয় না। তাছাড়া, পরিবর্তিত বিশ্বরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উন্নয়নের রাজনীতিকেই বাংলাদেশের জনগণ গ্রহণ করেছে এবং পদ্মা সেতুর বাস্তব বিনির্মাণর যে উচ্ছ্বাস জনগণের মধ্যে দেখা গেছে, এর ফলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যার বিকল্প বাংলাদেশর  রাজনীতিতে আগামী ১০০ বছরে তৈরি হবে কি না এটা বাংলাদেশের  জনগণ এবং আওয়ামী লীগের সকল  নেতাকর্মীর সন্দেহ। 

জাতি বিনির্মাণের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু কন্যা  বিদেশি কূটনীতিকদের দৌড়ঝাঁপকে কতটুকু গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেন, তা আগামী  নির্বাচনে পুনরায় বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা বিশ্বে একটি উন্নয়নের রাজনীতির রোল মডেল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করবেন—এ  বিষয়ে  কোনো সন্দেহ নেই। ইতোমধ্যে বর্তমান   সরকারের গগনচুম্বী উন্নয়ন সারাবিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। তবে রাজনৈতিক সমঝোতার নামে দলবেঁধে কূটনীতিকদের  তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠায় দৌড়ঝাঁপ দেশের জন্য কী আলামত বহন করেছে তা এখন খতিয়ে দেখার সময় এসেছে এবং এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের জনমত গঠনের প্রক্রিয়াকে বেগবান করা ছাড়া আমি অন্যকোনো বিকল্প দেখি না।

লেখক: ফিকামলি তত্ত্বের জনক, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, ওয়াইল্ড লাইফ বিশেষজ্ঞ , প্রেসিডেন্ট: ওয়ার্ল্ড ফুটবলার্স ফোরাম (WFFB),সভাপতি: শহিদ সেলিম-দেলোয়ার স্মৃতি পরিষদ।

ইত্তেফাক/ইআ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এবার দুস্থ এক নারীকে নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে গুজবের অভিযোগ!

রাজধানীতে ১১তম কমিউনিকেশন সামিট অনুষ্ঠিত

অ্যাপভিত্তিক জেনারেটর সার্ভিস নিয়ে এলো এসিআই মটরস

বাংলা গানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে যেতে চান রাজন নকতী

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

সুইস ব্যাংকের টাকার তথ্য না চাওয়ার কারণ জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

পিল খেয়ে পিরিয়ড বন্ধ রাখছে কিশোরীরা, পাশে দাঁড়ালো সেনোরা

বিয়ে না করে সন্তান জন্মদান: কিশোর-কিশোরীর অভিভাবককে তলব

সম্রাটের জামিন বাতিলের আদেশ বহাল