বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২, ১ ভাদ্র ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

নির্বাচনকালীন সরকারে ইসির নিয়ন্ত্রণ চায় অধিকাংশ দল

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২২, ০৭:০৩

বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল নির্বাচনকালীন সরকারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সরাসরি নিয়ন্ত্রণ চেয়েছে। বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, প্রতিরক্ষা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ইসির হাতে রাখতে আইন সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে দলগুলোর নেতারা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ নির্বাচন পরিচালনার জন্য আবশ্যকীয় সব সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ন্যস্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে। 

সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি-জাপা মনে করছে, বর্তমান পদ্ধতিতে স্বচ্ছ নির্বাচন করা সম্ভব নয়। নির্বাচন ব্যবস্থায় গলদ আছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে কিছু বিষয়ে ঐকমত্য হতে হবে। রাজনৈতিক নেতারা সহায়তা না করলে ইসির পক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব না। ১৫টি দল সরাসরি ইভিএমের বিরোধিতা করেছে। ভোটের সময় সংসদ ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ছয়টি রাজনৈতিক দল। জাপা, তরিকত ফেডারেশনসহ কয়েকটি দল একাধিক দিনে ভোটের প্রস্তাব করেছে। সংলাপে উঠে আসা প্রস্তাব পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত ১৭ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৩৯টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি-জাপাসহ ২৮টি দল সংলাপে অংশ নিয়েছে। জাতীয় পার্টি-জেপি ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি নির্ধারিত সময়ে সংলাপে আসতে না পারায় পরবর্তীতে সময় চেয়েছে। বিএনপিসহ ৯টি রাজনৈতিক দল সংলাপ বর্জন করেছে।

২৮টি দলের সঙ্গে সংলাপ শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, সংলাপে নির্বাচনে অর্থশক্তি, পেশি শক্তির প্রভাব, নির্বাচনে সহিংসতা, ভোট কারচুপি, কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাই করে বাক্স ভরাট করা, ভোটকেন্দ্রে বাধা প্রদান, আমলাতন্ত্রের পক্ষপাতিত্ব, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকা, ইসির নির্লিপ্ততা ইত্যাদি বিষয়ে মতামতে উঠে এসেছে। আমরা সব মতামত পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে অবহিত করেছি। তিনি বলেন, সংলাপে কিছু বিষয় ওঠে এসেছে। অনেক পার্টি মনে করছে, এক দিনে নির্বাচন করা সমীচীন হবে না। ভারতের মতো পৃথক দিনে হওয়া উচিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপ্রতুলতাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে তারা। অনেকে সেনাবাহিনী মোতায়েন করার জন্য বলেছেন। সেনাবাহিনীর প্রতি জনমানুষের আস্থা অনেক বেশি বলে তারা মনে করেন। আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি। আরেকটা বিষয়ে সংকট থেকে যাবে, সেটা হলো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)। ইভিএম নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে সমর্থন পেয়েছি। অধিকাংশ দল ইভিএম বিশ্বাস করছে না। অনেককেই আস্থায় আনতে পারছি না। ইভিএম নিয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব স্বাধীনভাবে।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে আপনাদের (রাজনৈতিক দলের) মেসেজগুলো সরকারের কাছে পৌঁছে দেব। এটা সরকারই করতে পারবে। রাজনৈতিক দলের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এটা নিয়ে রাজনৈতিক সংলাপের প্রয়োজন। আপনাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনার দরকার আছে। সরকার সমীপেও সে প্রস্তাব দেবেন। আমি বিশ্বাস করি, নির্বাচনের স্বার্থে সংবেদনশীল যে কোনো উপযুক্ত প্রস্তাব গ্রহণ করার মানসিকতা অবশ্যই যে কোনো দায়িত্বশীল সরকারের থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংলাপে যে ২৮টি দল অংশ নিয়েছে, তাদের মধ্যে সরকারি দলের বিপক্ষের অনেকেরই অনেক প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনের এক্তিয়ারের বাইরে। এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নে কমিশনের কিছুই করার নেই। এসব প্রস্তাব বাস্তবায়ন করতে হলে সংবিধান ও নির্বাচনি আইন সংশোধন এবং রাজনৈতিক ঐকমত্য ও সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। এসব প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে, নির্বাচনের তপশিলের আগে জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া, নির্বাচনকালীন ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাহীন ও জনসমর্থনহীন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল করা। আবার এর বিপরীতে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক দলসমূহকে নিবন্ধন না দেওয়া। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া। নির্বাচনের সময় সিইসির ‘সুপার প্রাইম মিনিস্টারে’র ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া, বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের পরিবর্তে তদারকি সরকার, জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার বা জাতীয় পরিষদ গঠন, নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে নিয়োগ করা।

  • নির্বাচনকালীন সরকার

নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ নির্বাচন পরিচালনার জন্য আবশ্যকীয় সব সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ন্যস্ত করা, নির্বাচনকালীন সরকারের কর্মপরিধি কেবলমাত্র আবশ্যকীয় দৈনন্দিন (রুটিন) কার্যাবলির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা, এডহক বা অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থার পরিবর্তে টেকসই সাংবিধানিক, আইনি ও রেগুলেটরি ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করার প্রস্তাব দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এই প্রস্তাবগুলো তুলে ধরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ সাংবিধানিক রেগুলেটরি কমিশন ‘নির্বাচন কমিশন’কে সর্বাত্মকভাবে সহায়তা করবে। ইসলামী ঐক্যজোট (আইওজে), বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের সময় বিদ্যমান সরকার ক্ষমতায় থাকবে বলে জানায়। তবে দল তিনটিই সরকারের কার্যক্রম সীমিত রাখার প্রস্তাব করেছে। ইসলামী ঐক্যজোট ও সাম্যবাদী দল বলেছে, বিদ্যমান সরকার শুধু রুটিন কাজ করবে। ওয়ার্কার্স পার্টি বলেছে, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারের সময়ে নির্বাচন হবে। সরকার যাতে নির্বাচনের ওপর প্রভাব ঘাটাতে না পারে, সে জন্য দৈনন্দিন কাজ করবে এবং উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারবে না। মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা প্রটোকল পাবেন না। নিবন্ধিত সব দল নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি। দলনিরপেক্ষ বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পাটি, জমিয়তে উলামায়ে বাংলাদেশ, গণফোরাম, খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারীদের নিয়ে সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে গণফ্রন্ট ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ।

  • ইসির হাতে মন্ত্রণালয় ন্যস্ত

প্রথম সংলাপেই জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম তাদের সুপারিশে সিইসিকে সুপার প্রাইম মিনিস্টারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার প্রস্তাব করে। নির্বাচনের সময় জনপ্রশাসনকে ইসির নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং রাজনৈতিক দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনে রদবদল আনার সুপারিশ করে। আর বাংলাদেশ কংগ্রেস নির্বাচনের সময় স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইসির তত্ত্বাবধানে পরিচালনার প্রস্তাব করে। বেশির ভাগ সংলাপেই নির্বাচনের সময় কয়েকটি মন্ত্রণালয় ইসির হাতে রাখার প্রস্তাব আসতে থাকে। জোটে আওয়ামী লীগের শরিক কয়েকটি দলও এ ধরনের প্রস্তাব দেয়। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি নির্বাচনকালীন স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন্যস্তের প্রস্তাব করে। এছাড়া বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট নির্বাচনের সময় স্থানীয় সরকার, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, অর্থ, তথ্য ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ইসির প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে পরিচালনার প্রস্তাব করেছে। একইভাবে খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল-(এমএল), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ প্রায় একই ধরনের প্রস্তাব করে। ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী নির্বাহী বিভাগকে তাদের অধীনে ন্যস্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ। একই সঙ্গে নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনি আইন লঙ্ঘন ও অসদাচরণের দায়ে শাস্তি দিতে ইসিকে আহ্বান জানানো হয়।

  • ইভিএমের বিপক্ষে ১৫টি দল 

সংলাপে ১৫টি রাজনৈতিক দল আগামী নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার পক্ষে মত দিয়েছে। আর ৯টি রাজনৈতিক দল ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে মত দেয়। তাদের মধ্যে কয়েকটি দল শর্তসাপেক্ষে এ মত দেয়। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনে ইভিএম চাইলেও বিরোধী দল জাতীয় পার্টি-জাপা সরাসরি বিরোধিতা করেছে। এনডিএম ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টি বলেছে, এটি ব্যবহার করতে হলে পেপার অডিট ট্রেইল সংযুক্ত করতে হবে। শঙ্কা কাটলে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে মত দেয় ইসলামী ঐক্যজোট (আইওজে)। তবে ইভিএম পদ্ধতি চালু সময়ের দাবি মন্তব্য করেছে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল)। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ইভিএমের পক্ষে মত দিয়েছে। তবে দলটি ইভিএমের পাশাপাশি ব্যালট পেপারেও ভোট নেওয়ার প্রস্তাব করেছে। যান্ত্রিক ত্রুটি ও জটিলতা দূর করা এবং ভোটারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ। গণতন্ত্রী পার্টি ইভিএমের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

ইভিএমের বিপক্ষে মত দিয়েছে জাতীয় পার্টি-জাপা, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে বাংলাদেশ, জাকের পার্টি, গণফোরাম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি।

  • সংসদ ভেঙে দেওয়া 

সংলাপে ছয়টি রাজনৈতিক দল সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব করেছে। তাদের যুক্তি, মন্ত্রী ও এমপিরা পদে থেকে নির্বাচন করবেন। এতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে না। দলগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ও জমিয়তে উলামায়ে বাংলাদেশ।

  • রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ 

সংলাপে ৯টি রাজনৈতিক দল প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্বাচনে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ না দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। তাদের মধ্যে ছয়টি রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনের জনবল থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের কথা বলেছে। দলগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ। এ ছাড়া জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ জেলা জজদের রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের প্রস্তাব করেছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ)।

  • ৯টি দলের সংলাপ বর্জন 

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপ ৯টি দল বর্জন করে। এগুলো হচ্ছে বাসদ, বাংলাদেশ মুসলীম লীগ-বিএমল, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, জেএসডি, এলডিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বিজেপি ও বিএনপি।

ইত্তেফাক/ইআ