বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২, ১ ভাদ্র ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

রাজিবপুরে সাইলো বিতরণে অনিয়ম

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২২, ০১:৫৫

প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে বন্যা কবলিত এলাকায় অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক রাজিবপুর ইউনিয়নে বরাদ্দ সাইলোর পাইনি ভুক্তভোগীরা। হত দরিদ্র ও বন্যা কবলিত এলাকার জন্য সাইলো পাইরোটি অনুমোদিত তালিকায় সুবিদা ভোগিদের মাঝে বিতরণ না করে তা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে রাজিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিরন মো. ইলিয়াসের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) দুপুরে এ ব্যাপারে রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাচারী পাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম  অনেক ঘুরাঘুরির পর  জানতে পারেন, ইউনিয়ন পরিষদে সাইলো আর নেই। তার নামের সাইলো না পেয়ে, বাধ্য হয়ে ইউএনও বরারব অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। উপজেলা খাদ্য ও কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলায়  ৫ হাজার ১শ প্লাস্টিকের সাইলো বরাদ্দ দেয় সরকার। সেই অনুযায়ী রাজিবপুর সদর ইউনিয়নে ১ হাজার ৭শটি সাইলো বরাদ্দ হয়েছিল।  প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের শুকনো খাবারসহ অন্যান্য জিনিসপত্র রাখার জন্য এসব সাইলো দেয় সরকার। বিতরণে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির কারণে তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও অর্ধেকের বেশি মানুষ সাইলো পায়নি। 

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম বাদল বলেন, আমাদের সাইলোর যে তালিকা করে মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হয়ে এসেছে, তা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু ঐ তালিকা অনুযায়ী সাইলো দেওয়া হয়নি। আমার গ্রামের তালিকায় থাকা অর্ধেকের বেশি মানুষ পায়নি।
   
রাজিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিরন মো. ইলিয়াস সাংবাকিদের বলেন, নতুন পুরাতন তালিকা করায় কিছুটা গড়মিল হয়েছে। তবে সাইলো ড্রাম না পাওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। 

এ ব্যাপারে রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্ত্তী বলেন, সাইলো ড্রাম না পাওয়ার অভিযোগ পেয়েছি, সত্যতা যাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

ইত্তেফাক/ইআ