সকল ক্ষেত্রেই সচেতন থাকলে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব

আপডেট : ১১ জুন ২০১৯, ১৯:৫৪

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

হিমন এডওয়ার্ড গমেজ, সিনিয়র শিক্ষক

সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

 

 

 

 

আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য

 

১। অপরিচিত মানুষের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় সম্পর্কে তোমার বন্ধুকে কী বলবে ? 

উত্তর : আমরা বয়সে অনেক ছোট। তাই আমাদেরকে অপরিচিত মানুষের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় জানতে হবে। আমার কোনো বন্ধু যদি অপরিচিত লোকের দ্বারা বিপদে পড়ে তবে তার প্রতি আমার পরামর্শ হবে নিম্নরূপ—

v প্রয়োজন না থাকলে অপরিচিত লোকের সাথে বেশি কথা বলা যাবে না।

v অপরিচিত লোকদের দেয়া কোনো ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না।

v অপরিচিত লোক কোথাও যেতে বললে না যাওয়া উচিত।

v অপরিচিত লোকদের কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে বড়দের জানাতে হবে।

v বাসায় কেউ না থাকলে অপরিচিত লোকদের কথায় দরজা খোলা ঠিক না।

v এসব সাবধানতার পাশাপাশি আমরা যদি সচেতন থাকি তবে বিপদ থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারবো।

২। বাড়িতে কীভাবে নিরাপদ থাকা যায় সে সম্পর্কে তোমার বন্ধুকে কী বলবে ?

উত্তর : বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। বিশেষ করে শিশুরা দুর্ঘটনার শিকার বেশি হয়। বাড়িতে নিরাপদ থাকার ব্যাপারে আমরা বন্ধুকে যা বলবো—

v ছুরি, কাঁচি জাতীয় ধারালো জিনিস সাবধানে ব্যবহার করা।

v খালি পায়ে বা ভেজা হাতে বৈদ্যুতিক তার না ধরা।

v ওষুধ ও কীটনাশকের গায়ে স্পষ্ট করে লিখে রাখা, যেন কেউ ভুলবশত খেয়ে না ফেলে।

v গ্যাসের চুলা ও বিদ্যুত্ ব্যবহারের পর বন্ধ রাখা।

v আগুনের ব্যবহারে সতর্ক থাকা।

v বাড়িতে প্রাথমিক চিকিত্সার বাক্স রাখা।

আমরা আমাদের নিরাপদ রাখার বিষয়ে সচেতন হলে অনেক দুর্ঘটনা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবো।

৩। রাস্তায় কীভাবে নিরাপদ থাকা যায় সে সম্পর্কে তোমার বন্ধুকে কী বলবে ?   

উত্তর : বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের বাড়ির বাইরে যেতে হয়। এসব প্রয়োজনে আমরা রাস্তা ব্যবহার করি। রাস্তায় বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এসব দুর্ঘটনা থেকে নিজেদের রক্ষার ব্যাপারে আমার বন্ধুদের যা বলবো—

v রাস্তার দেয়াল বা গাছ বেয়ে না ওঠা বা লাফালাফি না করা।

v রাস্তার আশেপাশে খেলার সময় সতর্ক থাকা।

v রাস্তায় খেলাধুলা না করা।

v রাস্তা পারাপারে সতর্ক থাকা।

v রাস্তার বাম পাশ দিয়ে চলাচল করা।

v প্রয়োজনে ফুটপাত, ওভারব্রিজ, জেব্রাক্রসিং ব্যবহার করা।

v রাস্তার সিগন্যাল মেনে চলা।

v অপরিচিত কারো খাদ্য গ্রহণ না করা।

v কোনো সমস্যায় ট্রাফিক পুলিশের সাহায্য গ্রহণ করা।

মোটকথা সকল ক্ষেত্রেই সচেতন থাকলে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। তাছাড়া গাড়িতে ওঠা-নামার সময়ও সতর্কতা অবলম্বন করে নিজেকে নিরাপদ রাখা যায়।