সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরে বেজায় চটেছে চীন। এই নিয়ে দেশটি ইতোমধ্যে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। চালিয়েছে নজিরবিহীন সামরিক মহড়া। এছাড়া পেলোসির সফরে পর চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং দেশটির জাতীয়তাবাদীদের শান্ত করতে সামরিক হুমকি দিয়েছেন। গ্লোবাল স্ট্র্যাট ভিউের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
পূর্ব চীন সাগরে সামরিক মহড়া পরিচালনা করে ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীনা। এটি তাইওয়ানকে আক্রমণ করবে না। তবে এটি বেইজিংয়ের একটি প্রতীকী অঙ্গভঙ্গি বলে ধারণা করা হচ্ছে। যাতে তারা তার ক্ষোভ প্রকাশ করে ও তাইওয়ানকে সংযুক্ত করার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হিসেবে দেখা যায়।
এই মুহূর্তে চীনা সামরিক বাহিনী অনেক শক্তিশালী ও উন্নত। তারপরও কিছু আন্তর্জাতিক নিয়ম বেইজিংকে তাইওয়ানিজ প্রণালিতে সামরিক অভিযান চালানো থেকে বিরত রাখবে।
চীনা হতাহত ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে সচেতন। বিশেষ করে যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সম্ভবত পশ্চিমের দেশগুলো তাইওয়ানকে সমর্থন করে।
২০২১ সালে পেন্টাগনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাইওয়ান আক্রমণ করার প্রচেষ্টা সম্ভবত চীনার সশস্ত্র বাহিনীকে চাপে ফেলবে ও আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপকে আমন্ত্রণ জানাবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তাইওয়ানের চার লাখ ৫০ হাজার সামরিক কর্মীকে মোকাবিলা করতে চীনকে জাহাজের মাধ্যমে তাইওয়ানে ১০ লাখ ২০ হাজার মিলিয়ন সৈন্য সংগ্রহ করতে হবে। এটি চীনা নৌবাহিনীর ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করবে ও সামরিক আক্রমণকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
