কক্সবাজারে উখিয়ার বালুখালির জামতলী আশ্রয় শিবিরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই রোহিঙ্গা মাঝি নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উখিয়া থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেছেন নিহত মাঝি আবু তালেবের স্ত্রী তৈয়বা খাতুন (৩০)। এতে ৫ জনকে এজাহার নামীয় ও ৭-৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এজাহারনামীয় অভিযুক্তরা হলেন, জাফর আলমের ছেলে মাহামুদুল হাসান (২৭), মৃত সোনা আলীর ছেলে সাহ মিয়া (৩২) ও তার ভাই আবুল কালাম ছেলে জাহিদ আলম (২৫), মৃত রশিদ আহম্মেদের ছেলে জাফর আলম (৫৪) ও তার ছেলে মো. সোয়াইব। তারা সবাই জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করেন।
ওসি বলেন, জামতলি এফডিএমএন ক্যাম্প-১৫ এর সি ব্লকের হেড মাঝি (ব্লকের নেতা) আবু তালেব (৫০) এবং সাবমাঝি সৈয়দ হোসেনের (৪৩) নিহত হওয়ার ঘটনায় বাদীর দায়ের করা এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত আবু তালেব জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক সি এর মাঝি এবং সৈয়দ হোসেন সাব মাঝি। ৯ আগষ্ট রাতে তারা প্রতিদিনের মতো কাজকর্ম শেষে ব্লক-সি/৯ এর আছিয়া খাতুনের ঘরের সামনে বাঁশের মাচার উপর বসে ব্লকের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করছিল। সে সময় রাত ১১ টা ৪০ মিনিটে এজাহার নামীয় আসামিসহ ৭/৮ জন অজ্ঞাতনামা বন্দুকধারী মুখে গামছা বেঁধে তাদেরকে এলোপাতাড়ি গুলি করে। পরে সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে পালিয়ে যায়। এতে আবু তালেবের গলায় ২টি এবং বুকের পাজরে ১টি ও সাব-মাঝি সৈয়দ হোসেনের গলায় ১টি গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাদের মৃত্যু হয়।
পূর্ব শত্রুতার জেরে এই ডাবল মার্ডারের সঙ্গে আবুল কাশেমের ছেলে সাব-মাঝি রেজাউল আলম (৪২), জাফর হোসেনের ছেলে সাব মাঝি মোঃ ইয়াছিন এবং ইসমাঈলের ছেলে (ভলেন্টিয়ার) নুর মোহাম্মদ (৩২) জড়িত রয়েছে বলে বাদী সন্দেহ রয়েছে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মোহাম্মদ কামরান হোসেন বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু