নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) 'টেকসই জলজ কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে নতুন আবিষ্কৃত ফিড ব্যবহার করে হ্যাচারি ভিত্তিক কাদা কাঁকড়া চাষের উন্নীতকরণ' বিষয়ক 'ইন্সেপশন ওয়ার্কশপ' অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্য ও সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে এ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়।
রবিবার (১৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাকাডেমিক ভবন ২ এর দ্বিতীয় তলায় ভিডিও কনফারেন্স কক্ষে উক্ত ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ধর্মীয় গ্রন্থসমূহ থেকে তেলাওয়াতের পর জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে শাহাদাত বরণকারী বঙ্গবন্ধু পরিবারের সবার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত 'Sustainable Coastal and Marine Fisheries Project' এর একটি অংশ হিসেবে এক বছরের জন্য প্রোজেক্টটি অনুমোদিত হয়। এই প্রজেক্টের প্রধান অবেক্ষক হিসেবে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন মৎস্য ও সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ-আল মামুন।
উক্ত প্রজেক্টের প্রধান অবেক্ষক প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ-আল মামুন কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন ড. মো. আসাদুজ্জামান। এতে উপ-প্রধান অবেক্ষক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাকেবুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সাইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান। এতে হ্যাচারি ফার্মের পার্টনার কক্সবাজারের ইরানা ট্রেডিং ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্টনার হিসেবে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড, নোয়াখালী।
দুই সেশনে সম্পন্ন উক্ত ওয়ার্কশপের উদ্বোধনী সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ দিদার-উল-আলম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল বাকী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক উদ্দিন, নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, গ্লোব বায়োটেকের চেয়ারম্যান ও চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র খালেদ সাইফুল্লাহ। উক্ত বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও অনার্স শেষ বর্ষ, মাস্টার্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের আলোচনায় দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে এই সম্ভাবনাময় শিল্পের বিভিন্ন সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ উঠে আসে। অনুষ্ঠানের ২য় অংশ সায়েন্টিফিক সেশনে মাঠপর্যায়ে প্রোজেক্টটি বাস্তবায়নের বিভিন্ন টেকনিক্যাল বিষয়, সমস্যা এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
