মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

১৬ বছর পর সচল হলো এক্সরে মেশিন

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২২, ০৩:৩৩

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৬ বছরের বেশি সময় ধরে পড়ে থাকা এক্সরে মেশনটি অবশেষে সচল করা হয়েছে। টেকনিশিয়ান ও যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে গত ১০ আগস্ট থেকে এটি চালু করা হয়। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বাহারুল আলম জানান, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে টেকনিশিয়ান না থাকায় এক্সরে মেশিনটি নষ্ট হয়ে পড়েছিল। রোগীদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ত্রুটি সারিয়ে এটি চালু করা হয়। উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে এক্সরে মেশিনটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। প্রায় দুই বছর সচল থাকার পর ২০০৭ সালে টেকনিশিয়ান বদলি হয়ে যাওয়ার পর মেশিনটি বিকল হয়ে যায়। এরপর তা আর মেরামত করা হয়নি। ফের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নতুন আরো একটি ডিজিটাল এক্সরে মেশিন দেওয়া হয় গত ডিসেম্বরে। এই মেশিনগুলো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছালেও ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত বাক্সবন্দি ছিল। পরে তা কক্ষে স্থাপন করা হয়। তখন থেকে মেশিন থাকলেও টেকনিশিয়ান না থাকায় এক্সরে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। 

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ইয়াসিন মাহমুদ জানান, এখানে প্রতিদিন গড়ে ৩০০-৪০০ জন রোগী অন্তর্বিভাগ এবং বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিয়ে থাকেন। গত বৃহস্পতিবার চিকিৎসা নিতে আসা চরবংশী এলাকার মো. আমিনুল ইসলাম (২৬) বলেন, ‘১০০ টাকা দিয়ে পায়ের এক্সরে করিয়েছি। এতে আমার অর্থের পাশাপাশি সময়ও সাশ্রয় হয়েছে।’ 

রায়পুর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. বাহারুল আলম বলেন, এক্সরে টেকনিশিয়ান না থাকায় রোগীদের সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। শূন্য পদ পূরণের জন্য প্রতি মাসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানো হয়। এরপরও কোনো লাভ হচ্ছে না। তাই রোগীর কথা চিন্তা করে বিকল্পভাবে এক্সরে মেশিনটি চালু করা হয়েছে। এখন হাসপাতালের সব রোগীই অল্প খরচে এক্সরে করতে পারছেন।

ইত্তেফাক/ইআ