বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

নাগেশ্বরীতে ফসলের উৎপাদন খরচ নিয়ে চিন্তিত কৃষক

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২২, ১৮:০৬

নাগেশ্বরীতে অব্যাহত খরায় সম্পূরক সেচে জমি তৈরি করতে হচ্ছে কৃষককে। বেড়েছে রাসায়নিক সার ও জ্বালানি তেলের দাম। কৃষি শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। সব মিলিয়ে আমন চাষে খরচ বেড়েছে। এতেই মৌসুম শেষে ফসলের উৎপাদন খরচ ওঠা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তারা।

জানা যায়, ভরাবর্ষায় অব্যাহত খরা চলছেই। পার হয়ে যাচ্ছে আমন চাষের সময়। বাধ্য হয়ে সেচে জমি তৈরি করতে হচ্ছে কৃষককে। বৈদ্যুতিক মোটরে এক বিঘা জমিতে সেচ দিতে ২০০ টাকা আর শ্যালো মেশিনে ১ লিটার ডিজেলের সঙ্গে ১০০ টাকা দিতে হচ্ছে তাদের। একই কারণে বেড়েছে ট্রাক্টরে জমি চাষের খরচ।

কৃষি অফিসের তথ্যানুযায়ী, উপজেলায় আমন চাষের জন্য ৫ হাজার মেট্রিকটন ইউরিয়া, ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল দরকার।

কৃষক জাহাঙ্গীর আলম জানান, রাসায়নিক সার, জ্বালানি তেল, কৃষি শ্রমিকের মজুরি, চারা রোপণসহ আনুষঙ্গিক সব ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ফসল ফলাতে তাকে গত বারের চেয়ে অনেক বেশি টাকা ব্যয় করতে হবে।

সিনিয়র উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন জানান, রাসায়নিক সার ও জ্বালানি তেলসহ আনুষঙ্গিক সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় আমন চাষে কৃষকের খরচ বেড়ে গেছে। ধানের দাম বৃদ্ধি পেলে কৃষকের জন্য তা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। 

ইত্তেফাক/এআই