সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ভালো দাম পেয়েও দুশ্চিন্তায় শেরপুরের পাটচাষিরা

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২২, ২০:৩৯

ভালো দাম পেয়েও মুখে হাসি নেই শেরপুরে উপজেলার পাটচাষিদের। শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি ও পর্যাপ্ত বৃষ্টি না থাকায় দূরদূরান্তে পাট জাগ দেওয়ার কারণে উত্পাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন না কৃষকরা। 

শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর শেরপুর উপজেলায় ২ হাজার ২৫০ বিঘা জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। 

শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের শুবলী গ্রামের কৃষক শাহার আলী জানান, দুই বিঘা জমিতে পাটের চাষ করেছিলেন। প্রতি বিঘা জমির পাট কাটতে ছয় জন দিনমজুরকে ৬০০ টাকা হারে মজুরি দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ৬০০ টাকা। জমির কাছে নদী-নালা, খাল-বিল ও ডোবা না থাকায় দূরে জলাশয়ে পাট জাগ দিতে ছয় জন দিনমজুরকে একই হারে দিতে হয়েছে আরো ৩ হাজার ৬০০ টাকা এবং পাটের আঁশ ছাড়াতেও প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে ৩ হাজার ৬০০ টাকা।

তিনি জানান, শুধু পাট কাটা থেকে শুরু করে আঁশ ছাড়ানো পর্যন্ত প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে ১০ হাজার ৮০০ টাকা। পাটের জমিতে হাল-চাষ, সার-বীজ, নিড়ানি ও শুকানো বাবদ খরচ প্রায় ৬ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রতি বিঘায় খরচ প্রায় ১৭ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘায় ছয় মণ হারে পাট উত্পাদন হলে বর্তমান বাজার দর ৩ হাজার টাকা হারে পাটের দাম পাওয়া যাবে প্রতি বিঘায় ১৮ হাজার টাকা।

কৃষক শাহার আলী জানান, জমির ভাড়া হিসাব করলে কোনো লাভই টিকবে না। লাভ শুধু পাট খড়ি। 

শেরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শারমিন আক্তার জানান, এ বছর পাটের আবাদ ভালো হয়েছে। বাজারে দামও ভালো পাচ্ছেন কৃষকরা। 

ইত্তেফাক/এআই