‘হত্যাকারীদের সম্পর্ক রক্তের সম্পর্ক স্পষ্ট করে বললে পিতা-পুত্রের। ১৫ ও ২১ আগস্টের যোগসূত্র সেটাই প্রমাণ করে। আসলে ঐ ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে নয়, বাংলাদেশকে হত্যা করা হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের গাছপালা, কাদা-মাটি সবখানে তিনি রয়েছেন। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, শিকড়ের গোড়া না কাটলে কিন্তু আমাদের মুক্তি নাই।’ বুধবার (১৭ আগস্ট) সিএসই বিভাগের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীলদল আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
নীলদলের সভাপতি অধ্যাপক পরিমল বালার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো. আব্দুস সামাদ।
ড. মো. আব্দুস সামাদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নাম, রাষ্ট্রের শিকড় এবং সেই আদর্শ মুছে ফেলতে এই দু’টি হত্যার সূচনা করে। হত্যাকারীদের রক্তের মিল অর্থাৎ পিতা পুত্রের সম্পর্ক। ১৫ আগস্ট জিয়াউর রহমান এবং ২১ শে আগস্ট তারেক জিয়া এই নিকৃষ্ট কাজে ভূমিকা রাখে।’
পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম বলেন, ‘যারা ১৫ আগস্টের হামলা করেছিল, তারাই ২১ আগস্টের হামলার সঙ্গে জড়িত। এই দুটোই ছিল একটি আদর্শের নির্মূল করণ। আসলে একটা জাতিকে ভুলের মধ্যে রাখা হয়েছে।’
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, অধ্যাপক ড. মো. নূরে আলম আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আসলে ঐ ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে নয়, বাংলাদেশকে হত্যা করা হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের গাছপালা, কাদা-মাটি সবখানে তিনি রয়েছেন। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, শিকড়ের গোড়া না কাটলে কিন্তু আমাদের মুক্তি নাই।’
