কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বাকিতে পণ্য না দেওয়ায় মো. মামুন (৪০) নামে এক দোকানিকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (১৭ আগস্ট) বিকালে উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের দগদগা চৌরাস্তা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
বুধবার রাতেই গুরুতর আহত মামুনের স্ত্রী রিনা আক্তার বাদী হয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা আনন্দ’র (২২) নাম উল্লেখ করে এবং কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে পাকুন্দিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো. মামুন ‘মেসার্স মামুন ট্রেডার্স’ নামে একটি মোদির দোকান পরিচালনা করেন। অভিযুক্ত আনন্দ (২২) প্রায়ই তার দোকান থেকে বাকিতে মালামাল ক্রয় করেন এবং বাকি না দিলে জোর জবরদস্তি করেন। গত বুধবার বিকালে বাকিতে পণ্য নিতে গেলে দোকানি মামুন পণ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং আগের পাওনা টাকা চাইলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এতে আনন্দ ক্ষিপ্ত হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র, চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড, লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে, ভাঙচুর চালায়। আনন্দ’র হাতে থাকা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মামুনের হাটুতে কোপ দিয়ে জখম করে। মামুনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আনন্দ এবং অজ্ঞাত ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়।
অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতিবেশিরা মামুনকে উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সারোয়ার জাহান ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বুধবার এ ধরনের একটি ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে এবং তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
