ধর্ষণ-হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২২, ১৯:০৫

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের গৃহবধূ রহিমা আক্তারকে (২০) ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জান্নাতুল ফেরদাউস চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সাইয়েদুল ইসলাম বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছন। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-রসুলপুর গ্রামের মো. জিয়া (৩২), কামাল মিয়াজী (৩৬), মো. আবুল বাশার (৪৮) ও মোসাম্মৎ মাহমুদা বেগম (৪৮)। হত্যার শিকার রহিমা আক্তার রসুলপুর গ্রামের মিয়াজী বাড়ির মো. সফিউল্লাহ মিয়াজীর মেয়ে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৯ মে রহিমা তার বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর কর্মস্থলে নারায়নপুর কোল্ড স্টোরেজে যান। বাবাকে বলে যান রাতে ফিরে আসবেন। ২০ মে বাড়িতে ফিরে না আসায় রহিমার বাবা তার জামাতা আবু জাফরকে রহিমার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে তার কাছে আসেনি। পরদিন ২১ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে জামাতা আবু জাফর ফোন করে জানান, রসুলপুর কদমতলী আলী বাড়ির পাশে ভুট্টাক্ষেতে তার স্ত্রীর লাশ পড়ে আছে। পরে রহিমার বাবা সফিউল্লাজ মিয়াজী মতলব দক্ষিণ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

আদালত

রহিমার বাবা সফিউল্লাজ মিয়াজী রায়ের পর বলেন, ‘মেয়েকে তো আর পাবো না। কিন্তু আদালতে যে বিচার করেছে তাতে আমি সন্তুষ্ট। এ বিচার কার্যকর হলে আমার পরিবার কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।’

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সাইয়্যেদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘মামলাটি দীর্ঘ ৯ বছরে ১৯ জন সাক্ষ্য প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দেন। রায়ের সময় আসামিদের মধ্যে মাহমুদা বেগম পলাতক ছিলেন।’

ইত্তেফাক/এএএম