শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

মেনোপজ কি পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২২, ১৯:৩৭

মেনোপজের কথা শুনলেই অনেক নারী বিষণ্ণতায় ভোগেন। এটি একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। আপনি চান কিংবা না চান, একদিন আপনার মেনোপজ স্টেজে আসতেই হবে। তাই অনিবার্য প্রক্রিয়াকে ঠেকানোর উপায় নেই। তবে একথা অবশ্য ঠিক, ডায়েট ও জীবন-যাপনে কিছুটা বদল এনে আপনি মেনোপজ স্টেজটাকে কিছুটা পিছিয়ে দিতে পারেন বড়জোর।

মেনোপজে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়

মেনোপজ কখন হয়? 
আমরা জানি, প্রতিটি নারীর জন্ম হয় ডিম্বাশয় বা ওভারিসহ। ওভারিতে প্রায় এক মিলিয়ন ডিম্বাণু থাকে। ঋতুস্রাব শুরু করে দেহ থেকে একের পর এক ডিম্বাণু নির্গত হয়। ৩০ এর পর ডিম্বাণুর সংখ্যা কমে আর ৪০ এ এই হ্রাসের পরিমাণ বাড়ে। এতে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমতে থাকে। মেনোপজ স্টেজ মানেই আপনার ওভারিতে ডিম্বাণু আর নেই। সেজন্যেই ডিম্বাশয়ে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন তৈরি হচ্ছে না। বছরখানেক পিরিয়ড না হলে ধরে নিতে হবে ঋতুবন্ধ হয়েছে। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়। 

মেনোপজে অবসাদ কিংবা স্ট্রেসে কাবু হওয়া যাবে না

মেনোপজ পিছিয়ে দেওয়ার জন্যে বর্তমানে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তবে সচরাচর যাদের যৌনজীবন ভালো তাদের মেনোপজ দেরিতেই হয়ে থাকে। এছাড়াও খাদ্য তালিকায় রাখুন মাছ, ডাল, সবুজ তরি-তরকারি। বিশেষত অবসাদ কিংবা স্ট্রেসে কাবু হওয়া যাবে না। শরীর সুস্থ রাখতে পারলে মেনোপজ দেরিতে হবে।  

ইত্তেফাক/আরএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন