যুদ্ধাবস্থায় ৩১তম স্বাধীনতা দিবস পালন করলো ইউক্রেন

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২২, ২০:০২

ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবস ২৪ আগস্ট। একই সাথে দেশটিতে চলমান রুশ আগ্রাসনের ৬ মাস পূর্তি। এমন সংকটপূর্ণ অবস্থায়ও দেশটির নাগরিকরা কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে সীমিত আকারে কর্মসূচি পালন করেছে। পুনরায় রুশ হামলার আশংকায় কর্মসূচি সীমিত করা হয়।

স্বাধীনতা দিবস ও চলমান যুদ্ধে হতাহত সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান দেশটির প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ও তার স্ত্রী ওলেনা। শহীদদের স্মরণ করতে স্মৃতিসৌধে হলুদ ও নীল রঙের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। 

তবে প্রতিবারের মতো এবার কিয়েভে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শহরের কেন্দ্রস্থল দিয়ে বিশাল সামরিক প্যারেডের আয়োজন করা হয়নি।

এদিকে চলমান অস্থিতিশীল পরিবেশে রাজধানীতে সকল জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উদযাপনকারীরা রুশ বাহিনীর হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ বেশ চিন্তায় ছিল বলে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

সরকারের তরফে ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ও অকেজো হয়ে যাওয়া রুশ ট্যাংক কিয়েভের রাস্তায় রেখে প্রদর্শনী করা হচ্ছে। 

এদিকে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, ইউক্রেনে বেসামরিক নাগরিকদের আরও জোরদার ভাবে হামলার পদক্ষেপ নিচ্ছে রুশ বাহিনী।

কোনো শর্ত বা আপোষহীন ভাবে রাশিয়ার দখলকৃত অঞ্চলগুলোর স্বাধীন করার আশ্বাস দেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।

২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করে নেয় রাশিয়া। এখন তারা সংলগ্ন কৃষ্ণসাগর ও আজভ সাগরের উপকূলবর্তী ইউক্রেনীয় অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। পূর্ব দিকে ডনবাস অঞ্চলের অধিকাংশ এলাকাও তাদের নিয়ন্ত্রণে। তবে রাশিয়াকে ঠেকাতে এখনো লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন। 

ইউক্রেনের সেনাবাহিনী বলছে, রাশিয়াকে প্রতিহত করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন দেশটির ৯ হাজার সেনা। 

ইত্তেফাক/এএইচপি