ইউক্রেন যুদ্ধে যে পক্ষই বিজয়ী হোক না কেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে হেরে যাবে। আমেরিকান দ্বিমাসিক রক্ষণশীল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট’ এক রিপোর্টে এ কথা জানায়।
রিপোর্টে বলা হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত শুরু হওয়ার পর, পশ্চিমা গণতন্ত্রগুলি দ্রুত একত্রিত হয়। রাশিয়া থেকে জীবাশ্ম জ্বালানি কেনা বন্ধসহ শেষ মস্কোর বিরুদ্ধে বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
এতে বলা হয়, পশ্চিমের এই জ্বালানি নিষেধাজ্ঞাগুলি ব্যাপক পরিসরে ‘ব্যাকফায়ার করেছে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি এবং সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। পরিস্থিতি এতো গুরুতর যে ব্রাসেলস এখন অর্থনৈতিক পরিণতি মোকাবিলা করতে লড়াই করছে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৪৯ সালে ন্যাটো গঠনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক অনুমানগুলির মধ্যে মাথা গুঁজে রাখা অব্যাহত রাখে, তবে এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদ এবং ক্ষমতার অতিরিক্ত প্রসারে পরিস্থিতি ক্রমাগত খারাপ হতে চলেছে।
ম্যাগাজিনটি বলেছে, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর বিশ্বের একমাত্র প্রভাবশালী শক্তি নয়।’
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর আজ শুক্রবার (২৬ আগস্ট) পর্যন্ত টানা ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলছে এই যুদ্ধ। এতে দুই পক্ষের বহু হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে যুদ্ধ বন্ধে এখন পর্যন্ত কোনো লক্ষণ নেই। উল্টো পূর্ব ইউক্রেনে দেশ দুইটির মধ্যে সংঘাত আরও জোরদার হয়েছে।
