হোয়াইটহেডসের সমস্যা রয়েছে অনেকেরই। চেনা এই সমস্যার প্রতিকার সম্পর্কে ধারণা থাকে নেই প্রায় অনেকের। এমনকি এই সমস্যা কেন হয় তাও জানেন না অনেকে।
কেন হয় হোয়াইটহেডস?
হোয়াইটহেডস মূলত এক ধরণের অ্যাকনে। ক্লগড হেয়ার ফসিকলসের জন্য এই সমস্যা হয়। ত্বকে মৃত কোষ, ধুলোবালি, ব্যাকটেরিয়ার জন্যে ত্বকের উপর ফলিকলস জমে যায়। আক্রান্ত স্থানে এক ধরণের সোলেন গ্রোথ হয়। অতিরিক্ত তেল বা ব্যাকটেরিয়া এই ফুলে যাওয়া অংশে জন্মালে হোয়াইটহেডস হয়। হোয়াইটহেডস দেহের যেকোনো স্থানেই হতে পারে। অনেকে একে প্রাকৃতিক মনে করলেও খুব সহজে হোয়াইটহেডস এড়ানো সম্ভব।
কিভাবে প্রতিকার করবেন হোয়াইটহেডস?
- সুগন্ধীযুক্ত সাবান কিংবা ক্লেনজার ব্যবহার না করে স্যালসিলিক অ্যাসিড অথবা আলফা হাইড্রক্সিল অ্যাসিডযুক্ত ক্লেনজার ব্যবহার করতে হবে। এই পণ্য বন্ধ রোমকূপ উন্মুক্ত করতে সাহায্য করে।
- ঘন ঘন মুখ ধোয়ার বাতিক থাকলে এখনই পরিহার করুন। কারণ এতে অ্যাকনে এবং ইনফ্লেমেশনের শঙ্কা বাড়ে। সপ্তাহে দুতিনদিন ত্বকে এক্সফ্লিয়েশন দরকার। এতে ত্বকের ময়লা দূর করার পাশাপাশি নতুন কোষ তৈরি হয়।
- ডিমের সাদা অংশের সাথে এক টেবলচামচ দুধ ও দুই টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে ফেসমাস্ক বানান। ধীরে ধীরে কুসুমটিও মিশিয়ে ঘন পেস্ট করুন। মুখে এই ফেসমাস্ক লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। মধু ও ডিম অতিরিক্ত তেল শুষে নিয়ে হোয়াইটহেডসের জীবাণু মেরে ফেলে।
