এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১২৭ রান। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে এই রান সংগ্রহ করেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। আফগানিস্তান ১২৮ রান তাড়া করতে মাঠে নামবে।
মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) শারজার শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৮ রান সংগ্রহ করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন। তিনি ৩১ বলে এই রান তুলে নেন। আফগান শিবিরে মুজিব উর রহমান ও রশিদ খান ৩টি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন। মূলত আফগানদের দাপুটে বোলিংয়ে সুবিধা করতে পারেন নি বাংলাদেশের ব্যাটাররা।
এ দিন ব্যাট করতে নেমে আফগান স্পিন বিষে প্রথম থেকেই দিশেহারা হয়ে পড়ে টাইগাররা। দলীয় অর্ধশতক পেরোতে না পেরোতেই পাঁচ ব্যাটার বিদায় নিলে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশ
দীর্ঘ সময় পর দলে ফেরা ওপেনার নাঈম পূরণ করতে পারেননি প্রত্যাশা। প্রথম ওভারে একটা চার হাঁকালেও ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফিরেন তিনি। স্পিনার মুজিব উর রহমানের বল ব্যাট-প্যাডের ফাঁক দিয়ে চলে যায় স্টাম্পে। মাত্র ৬ রান করে বোল্ড হয়ে ফিরতে হয় নাঈম শেখকে। নাঈমের ব্যর্থতার পর আরেক ওপেনার আনামুল হক বিজয়কেও ফিরতে হয় সাজঘরে। মুজিবের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে মাত্র ৬ রানে সাজ ঘরে ফিরে যান এই ওপেনার।
ওয়ানডাউনে নামা অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও এদিন ব্যর্থ ছিলেন রান তুলতে। বাংলাদেশের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও এনামুল হকের পর অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকেও তুলে নেন মুজিব। নাভিন উল হকের ওভারে পরপর দুটি চার মারলেও মুজিব উর রহমানের তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে সংযোগ ঘটাতে ব্যর্থ হন সাকিব। ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে সোজা স্টাম্পে চলে যায় বল। সাজ ঘরে ফেরার আগে ৯ বলে ১১ রান করেন সাকিব। এরপর ম্যাচের সপ্তম ওভারে মুশফিকুর রহিমকে বিদায় করেন স্পিনার রশিদ খান। পাঁচে ব্যাট করতে নামা আফিফ দলের হাল ধরার চেষ্টা করলেও রশিদ খানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হন তিনি। এসময় ১৫ বলে ১২ রান করেন আফিফ।
এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মোসাদ্দেক সৈকত মিলে হাল ধরেন। তবে দলীয় ৮৯ রানের সময় ২৭ বলে ২৫ রান করে আউট হোন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। শেষ দিকে মসাদ্দেক-মেহেদি হাসানের জুটিতে ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রান তোলে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৩১ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক। অন্যদিকে মেহেদি ১২ বলে করেন ১৪ রান করে রান আউট হন।
বাংলাদেশ একাদশ: মোহাম্মদ নাঈম, এনামুল হক, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মোসাদ্দেক হোসেন, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান।
আফগানিস্তান একাদশ: হজরতউল্লাহ জাজাই, রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), ইব্রাহিম জাদরান, নাজিবুল্লাহ জাদরান, করিম জানাত, মোহাম্মদ নবী (অধিনায়ক), রশিদ খান, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, নবীন-উল হক, মুজিব উর রহমান, ফজলহক ফারুকী।
