শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ কারাগারে 

আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০২২, ২১:৪৮

চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদের বাসিন্দা জালাল আহমেদকে (৬০) চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে অভিযুক্ত জালালকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগেও তিনি এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে জেল খেটেছেন। 

আটককৃত জালাল (৬০) চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ সুন্নিয়াপাড়া এলাকার মৃত এজাহার মিয়ার ছেলে। তিনি মূলত একজন ভবঘুরে প্রকৃতির লোক। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসার নামে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি করে থাকেন।

রাউজান থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চুয়েট এলাকায় এক চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ক্লাস শেষে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত জালাল ছাত্রটিকে কাছে ডেকে মোবাইল ও টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যান। সেখানে ধর্ষণের চেষ্টার পাশাপাশি তাকে কামড়ে রক্তাক্তও করেন। শিশুটি বাড়ি এসে তার মাকে বিস্তারিত খুলে বললে তিনি (মা) বাদী হয়ে জালালকে একমাত্র আসামি করে রাউজান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন শামীম ও রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল হারুনসহ পুলিশের চৌকস একটি দল রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযানের পর ভোরে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলাধীন নোয়াপাড়া ইউনিয়নের পাঁচখাইন এলাকার এক মাজার প্রাঙ্গণ থেকে তাকে আটক করে।

এ ব্যাপারে সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, ‘নিজের স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও জালালের বিরুদ্ধে একের পর এক শিশু ধর্ষণের অভিযোগ থেকে এটাই বোঝা যায় যে, তিনি সম্ভবত বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত একজন মানুষ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও আরও তথ্য উদঘাটনের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।’

রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, ‘আটককৃত জালাল আহম্মদকে একজন অভ্যাসগত শিশু ধর্ষণকারী হিসেবে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। এর আগেও ২০১৫ সালের অনুরূপ এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় বেশ কয়েক মাস জেল খাটেন তিনি।’

ইত্তেফাক/মাহি