অফিস কিংবা বসে থাকার কাজের সময় দেহভঙ্গিমা ঠিক রাখার প্রয়োজনীয়তা অনেক। কাজে যেমন তা বাজে ইম্প্রেশন ফেলে তেমনই শরীরেও নানা সমস্যা দেখা দেয়। এ নিয়ে অনেকে এতটাই চিন্তিত যে ঠিক করার জন্যে পরামর্শকের খোঁজ নেন। কিন্তু নিজের কিছু বদভ্যাস এড়িয়ে সহজেই দেহভঙ্গিমা কিংবা পশ্চার ঠিক করা সম্ভব। কি সেই বদভ্যাস? চলুন জেনে নেই:
কুঁজো হয়ে থাকা
ছোটবেলা থেকেই কুঁজো হয়ে বসার অভ্যাস থাকে অনেকের। বাবা-মা প্রায়শই এই বদভ্যাসটুকু সম্পর্কে সচেতন করে দেন না। ফলে পীঠ ও কাঁধে ব্যথা আরম্ভ হয়। কুঁজো হয়ে বসলে বেশিক্ষণ বসে কাজও করতে পারবেন না। তাই এখন থেকেই সোজা হয়ে বসে থাকার চেষ্টা করুন। বিশেষত পা মাটিতে এমনভাবে রাখুন যাতে দুটো পায়ের পাতা সমান থাকে।
মাথা সবসময় নিচু করে রাখা
ফোন চালাচ্ছেন কি ল্যাপটপ, স্ক্রিনে বেশি মনোযোগ দিতে গিয়ে মাথা সবসময় নিচু করে রাখেন। এতে আমাদের কাঁধে প্রচুর চাপ পড়ে। আপনি অবশ্য প্রথমে বুঝতে পারেন না। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এই বদভ্যাস নানা সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই পশ্চার সোজা রেখে মাথা কিছুটা দূরে রেখে হলেও সোজা রাখুন। প্রথম প্রথম অসুবিধে হলেও আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে।
পীঠ একেবারে টানটান করার প্রয়োজন নেই
দেহভঙ্গিমা ঠিক করা মানে এই নয় আপনার পীঠ একদম টানটান করে রাখবেন। প্রত্যেকের পীঠের স্বাভাবিক বাক আছে। সেই বাঁকটুকু যেন কুঁজো ভঙ্গিমার না হয় তা খেয়াল রাখতে হবে। এই বদভ্যাসের জন্যেই অনেকক্ষণ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা দেহভঙ্গিমা ঠিক রেখে বসে থাকা যায় না।
এক পায়ে ঝুঁকে থাকবেন না
কাজ করার সময় অনেকে এক পায়ে ঝুঁকে থাকেন। এতে স্ক্রিনের দিকে মনোযোগ দেওয়া যায়। এমনটা করা উচিত না। হ্যা, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর অনেকে এক পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ান কারণ কিছুটা আরাম পাওয়া যায়। কিন্তু এই পদ্ধতি ব্যবহারের নিয়ম আছে। আপনি আপনার হিপ ও কোর মাসলগুলো ঠিকঠাক ভঙ্গিমায় না রাখলে এই সমস্যা হয়। পুরো ভর পায়ে দিলে তা ক্ষতি হতে পারে।
