ফাইনালে যেতে ১৩০ করতে হবে পাকিস্তানকে

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:৪৭

এশিয়া কাপের সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পথে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে পাকিস্তান। আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিতলেই ফাইনালে উঠে যাবে পাকিস্তান। এমন সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই টস জিতে আফগানদের বিপক্ষে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। তার সিদ্ধান্তকে যথার্থই প্রমাণ করেছেন দলের বোলররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে আফগানিস্তানকে বেঁধে ফেলেছে মাত্র ১২৯ রানেই। 

শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাত ৮ টায় মাঠে নামে দুই দল। আফগানদের হয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা বেশ ভালোই করেছিলেন দুই ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই আর রহমানউল্লাহ গুরবাজ। প্রথম তিন ওভারে বিনা উইকেটেই তুলে ফেলেছিলেন ২৭ রান। সেখান থেকেই ম্যাচের লাগাম টেনে ধরেন পাক বোলাররা। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে রহমানউল্লাহ গুরবাজকে সরাসরি বোল্ড করে ব্রেক থ্রু এনে দেন হারিস রউফ। ৩৬ রানে ভাঙে আফগানদের ওপেনিং জুটি। ১১ বলে ১৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন গুরবাজ।

প্রথম উইকেটের ঠিক ৬ বল পরেই আরেক ওপেনারকে হারায় আফগানিস্তান। হজরতউল্লাহ জাজাইকেও বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান মোহাম্মদ হাসনাইন। ১৭ বলে ২১ রান করেই ফেরেন জাজাই। আফগানরা দ্বিতীয় উইকেট হারায় ৪৩ রানে।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে ভালো চেষ্টা করেছিলেন ইব্রাহিমজাদরান আর করিম জানাত। তবে দলীয় ৭৮ রানে গিয়ে সেই জুটিও ভেঙে যায় মোহাম্মদ নেওয়াজের বলে। ১৯ বলে ১৫ রান করা করিম ফেরেন ফখর জামানের হাতে ক্যাচ দিয়ে। ১৪তম ওভারের শেষ বলে শাদাব খানের বলে ফখরের হাতেই ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নজিবুল্লাহ জাদরান। 

পরের ওভারে নাসিম শাহ'র প্রথম বলে শূণ্য রানে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন আফগান অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী। ৯১ রানেই ৫ উইএক্ট হারিয়ে ফেলে আফগানরা। উইকেটের আরেক প্রান্ত টিকিয়ে রাখা ইব্রাহিম জাদরানও ফেরেন হারিস রউফের করা ১৭তম ওভারে। উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেওয়ার আগে করেন ৩৭ বলে ৩৫ রান। 

শেষের দিকে আজমতউল্লাহ ওমারজাই আর রশিদ খানের দ্রুত রান তোলা মিলিয়ে আফগানদের স্কোরবোর্ডে আরও ২৫ রান যোগ করলে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে আফগানিস্তানের রান দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১২৯।

আফগানদের দেয়া ১৩০ রানের সহজ টার্গেট টপকে গেলেই শ্রীলঙ্কাকে সঙ্গে নিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে পা রাখবে পাকিস্তান।

সংক্ষিত স্কোরকার্ড: 
আফগানিস্তান: ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১২৯ (জাজাই ২১, জাদরান ৩৫, রশিদ ১৮*; হারিস রউফ ৪-০-২৬-২, নাসিম শাহ ৪-০-১৯-১)

ইত্তেফাক/এমএএম