সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে আখাউড়া ইমিগ্রেশন অফিস

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৮:০৩

টানা ২ দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সামনের অংশ। 

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সামনের অংশে টানা বৃষ্টির ফলে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের।

আখাউড়া ইমিগ্রেশন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভারতের ৭টি অঙ্গরাজ্যের সঙ্গে সহজ যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় রোড হল আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। ভ্রমণ, চিকিৎসা ও ব্যবসায় ভিসায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাতায়াত করেন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ। আবার ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রীরাও বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এই স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১০০০ পাসপোর্টধারী যাত্রী দু’দেশে যাতায়াত করে থাকেন।

ঢাকা-চট্রগ্রাম-সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে আখাউড়া স্থলবন্দরের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হওয়ায় দিন দিন ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই স্থলবন্দরটি। জরাজীর্ণ ভবন নিয়ে কোনরকম কার্যক্রম চললেও দেখা যাচ্ছে অল্প বৃষ্টি হলেই ইমিগ্রেশন ভবনটির সামনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। যাত্রী ও কর্মকর্তারা পানিতে ভিজেই যেতে হচ্ছে ইমিগ্রেশন ভবনে। তাতে দূর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের।

রতন দাস নামের ভারতীয় এক যাত্রী বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টি থাকার কারণে প্রচুর পরিমাণে পানি জমে আছে ইমিগ্রেশনের সামনের অংশ। ক্ষোভ নিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক একটা ইমিগ্রেশনের সামনের অংশটা এতো নিচু যে পানি অন্য কোথাও সরে যাচ্ছে না। পানি না সরার কারণে ভোগান্তি কিন্তু আমাদের মতো যাত্রীদের।

আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) দেওয়ান মোর্শেদুল হক ভোগান্তির কথা স্বীকার করে বলেন, ইমিগ্রেশন ভবনটি মূল সড়ক থেকে নিচু জায়গায় অবস্থিত, সেই জন্য বৃষ্টি হলেই এখানে বৃষ্টি পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। আর দুই দিন ধরে টানা বৃষ্টি থাকায় পাশে থাকা পুকুরের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ভবনের সামনে চলে এসেছে। বৃষ্টি কমে গেলে পানি নেমে যাবে।

ইত্তেফাক/এআই