মুন্সীগঞ্জের বাংলাবাজার এলাকায় পদ্মা নদীতে ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়েছে। বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে এই জিও ব্যাগ ফেলানো শুরু হয়।
তীব্র ভাঙনে গত ৮/১০ দিনে বিলীন হয়েছে নদী তীরের সর্দারকান্দি, শম্ভুহালদারকান্দি গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ। এছাড়া ধসে পড়েছে ভিটেমাটিসহ বিভিন্ন স্থাপনা। উপজেলা প্রশাসনের হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় দুই শতাধিক পরিবার। এদিকে নদীতে স্রোত থাকায় বুধবারও অব্যাহত রয়েছে ভাঙন। রাত থেকে বিলীন হয়েছে বেশ কয়েকটি ভিটেমাটি।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মো. আল জুনায়েদ জানান, ১৯৮ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদেরকে ২০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভাঙন কবলিতদের পুনর্বাসনে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি। আশা করছি শিগগিরই বরাদ্দ আসবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (ঢাকা পওর বিভাগ-১, বাপাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী বলেন, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে সকাল থেকেই জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়েছে। আজ থেকে গতি আরও বাড়বে। ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫ শত ২০ মিটার এলাকায় ৪১ হাজার ৪শ' জিও বেগ ফেলা হবে। প্রতিটি জিও ব্যাগের ওজন ২ শ'৫০ কেজি। এছাড়া প্রথমবারের মতো মুন্সীগঞ্জে জিও টিউব ফেলানোর প্রক্রিয়া চলছে। সাড়ে ৯শ' জিও টিউব ফেলা হবে। প্রতিটি জিও টিউবের দৈর্ঘ্য ৪ মিটার। ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
