বিটিসিএলের গাফেলতির অভিযোগ

চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন বিকল তিন শতাধিক টেলিফোন সংযোগ

আপডেট : ১৩ জুন ২০১৯, ০০:০৮

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড সলিমপুর এলাকায় বিটিসিএলের গাফিলতিতে গত ৮/৯ মাস যাবত্ বিকল অবস্থায় রয়েছে ৩ শতাধিক টেলিফোন সংযোগ। গ্রাহকরা অভিযোগ করলেও বিকল সংযোগ চালু করতে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না বিটিসিএল। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার বিপুলসংখ্যক গ্রাহক। এখানে জিটিসিএল, পিডিবি, পল্লিবিদ্যুত্সহ অনেক সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। টেলিফোন নিয়ে তাদেরও নিত্যভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এদিকে বিপুলসংখ্যক টেলিফোন সংযোগ বিকল থাকায় রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

গ্রাহকদের অভিযোগ ওয়াসা যখন পাইপ লাইন বসানোর কাজ শুরু করে তখন থেকে টেলিফোনে সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু টেলিফোন নিয়ে অভিযোগ জানানোর পরও বিটিসিএল কর্মকর্তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক বছর আগে সলিমপুর এলাকায় মাটির নিচে ওয়াসার পাইপ লাইন বসানোর সময় বিভিন্ন স্থানে বিটিসিএলের ক্যাবল কেটে যায়। এতে কয়েকশ’ টেলিফোন সংযোগ বিকল হয়ে পড়ে। ফৌজদারহাট থেকে কদমরসুল পর্যন্ত টেলিফোন গ্রাহকরা সমস্যায় পড়েছে। বিটিসিএল কর্মকর্তারা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ক্যাবল মেরামত করে দেওয়ার জন্য ওয়াসা কর্তৃপক্ষ ও তাদের নিয়োগপ্রাপ্ত ঠিকাদারকে একাধিকবার বলা হলেও তারা মেরামত করে দিচ্ছে না।

বিটিসিএল চট্টগ্রাম কার্যালয়ের ডিজিএম বজলুর রহমান ইত্তেফাককে বলেন, আন্ডারগ্রাইন্ড ক্যাবলের বিভিন্ন স্থানে কেটে যাওয়ায় শতাধিক টেলিফোন বিকল হয়ে পড়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে ওয়াসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছি। কিন্তু তাদের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাচ্ছি না। এখন আমরা নিজ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ক্যাবল মেরামতের কাজ করছি। ইতোমধ্যে কিছু সংযোগ চালু করা গেছে। বাকিগুলো চালুর কাজ চলছে।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, প্রায় ৭/৮ মাস আগে ঠিকাদার পাইপ বসানোর কাজ শেষ করেছে। তখন বিটিসিএল কোনো অভিযোগ করেনি।