বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

প্রশ্নপত্র ফাঁস: আরও দুই আসামীর ২ দিনের রিমান্ড, প্রধান শিক্ষক জেলহাজতে

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২২, ১৮:১৯

কুড়িগ্রামে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামী ভুরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাওলানা জোবায়ের হোসেন ও আমিনুর রহমান রাসেলের ২ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।   

রোববার (২ অক্টোবর) সকালে কুড়িগ্রামের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন আলীর আদালতে আসামীদের জামিন ও রিমান্ডের শুনানি শেষে এই আদেশ দেয়া হয়।
 
অপরদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলার প্রধান আসামী ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমানকে ৩ দিনের রিমান্ড শেষে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর আগে গত বুধবার তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছিল।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূরুঙ্গামারী থানার (ওসি তদন্ত) আজাহার আলী জানান, দুই আসামীর ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও শুনানি শেষে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বিজ্ঞ আদালত। মূল আসামী লুৎফর রহমান তিন দিনের রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই বাছাই করে দেখা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী সহকারি পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট দিলরুবা আহমেদ শিখা জানান, আসামীরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটিয়ে দেশ ও জাতির ক্ষতি সাধন করেছেন। তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় এ পর্যন্ত  ৫ জন শিক্ষক ও একজন অফিস সহায়ককে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মূল হোতা প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমান, ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল, ইসলাম শিক্ষা শিক্ষক মাওলানা জোবায়ের হোসেন, ‍কৃষি বিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুর রহমান, বাংলা বিষয়ের শিক্ষক সোহেল আল মামুন এবং অফিস সহায়ক সুজন মিয়া। এজাহার নামীয় আসামী অফিস সহকারী আবু হানিফ পলাতক রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, পলাতক আসামী ঘটনার পরপরই ভারত পালিয়ে গেছেন।এদের সবাইকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি।

নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রের ট্যাগ কর্মকর্তা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী গত ২০ সেপ্টেম্বর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনের নামে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ইত্তেফাক/পিও/এআই